/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/28/pawars-2026-01-28-11-35-31.jpg)
Ajit Pawar Political Journey: অজিত পওয়ারের তিন দশকের বেশি রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে জানুন।
Ajit Pawar Legacy: মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে অজিত পওয়ার কেবল একটি নাম নয়, বরং একটি ঝোড়ো অধ্যায়। ১৯৫৯ সালে জন্ম নেওয়া এই নেতা শরদ পওয়ারের বড় ভাই অনন্তরাও পওয়ারের পুত্র ছিলেন। সমবায় আন্দোলনের হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ করলেও কাকা শরদ পওয়ারের ছত্রছায়াতেই তাঁর রাজনৈতিক উত্থান। আজ বারামতির আকাশে তাঁর জীবনাবসানের সঙ্গে সঙ্গে মারাঠা রাজনীতির একটি শক্তিশালী স্তম্ভ ধসে পড়ল।
বারামতির ‘দাদা’ থেকে ক্ষমতার শিখরে:
অজিত পওয়ারের নির্বাচনী রাজনীতির অভিষেক ১৯৯১ সালে বারামতি লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ হিসেবে। তবে কাকা শরদ পওয়ারকে কেন্দ্রে জায়গা করে দিতে তিনি ইস্তফা দেন। এরপর ১৯৯৫ সাল থেকে বারামতি বিধানসভা কেন্দ্র ছিল তাঁর অজেয় দুর্গ। ১৯৯৯, ২০০৪, ২০০৯, ২০১৪ এবং ২০১৯, টানা ছয়বার এই কেন্দ্র থেকে তিনি মহারাষ্ট্র বিধানসভায় নির্বাচিত হন।
মন্ত্রিত্ব ও সংগঠন:
১৯৯৯ সালে এনসিপি (NCP) গঠনের পর মাত্র ৪০ বছর বয়সে ক্যাবিনেট মন্ত্রী হন অজিত। সেচ, অর্থ ও গ্রামোন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর সামলেছেন তিনি। পশ্চিম মহারাষ্ট্রে এনসিপির সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তাঁর অবদান ছিল অনস্বীকার্য। দলের মধ্যে তিনি এমন এক অনুগত বাহিনী তৈরি করেছিলেন যারা কাকার চেয়েও ‘দাদা’র (অজিত পওয়ার) প্রতি বেশি দায়বদ্ধ ছিল।
পরিবারিক দ্বন্দ্ব ও ভাঙন:
২০০৯ সালে শরদ পওয়ারের কন্যা সুপ্রিয়া সুলে রাজনীতিতে আসার পর থেকেই পওয়ার পরিবারে উত্তরসূরি নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয়। এরপর তৃতীয় প্রজন্মের রোহিত পওয়ারের উত্থান অজিতকে দলের মধ্যে কোণঠাসা করে তুলেছিল বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
আরও পড়ুন-Ajit Pawar Plane Crash Death: মোদী, যোগী থেকে মুর্মু... অজিত পাওয়ারের মৃত্যুতে শোকের আবহ দেশজুড়ে
সেই নাটকীয় শপথ ও বিদ্রোহ:
অজিত পওয়ারের রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় চমক ছিল ২০১৯ সালের নভেম্বর মাস। যখন শিবসেনা-এনসিপি-কংগ্রেস জোট নিয়ে আলোচনা চলছে, তখন সাতসকালে রাজভবনে দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। যদিও সেই সরকার মাত্র ৮০ ঘণ্টা টিকেছিল। পরে তিনি আবার কাকার কাছে ফিরে এলেও ২০২৩ সালে চূড়ান্ত বিদ্রোহ করেন। এনসিপি ভেঙে বড় অংশ নিয়ে যোগ দেন বিজেপি-শিবসেনা (একনাথ শিন্ডে) সরকারে।
সাফল্য ও শেষ অধ্যায়:
নির্বাচন কমিশন তাঁর গোষ্ঠীকেই আসল এনসিপি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ২০২৪-এর বিধানসভা নির্বাচনেও ৪১টি আসন জিতে তিনি প্রমাণ করেছিলেন মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে তাঁর প্রাসঙ্গিকতা কতটা গভীর। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি ছিলেন ক্ষমতার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us