scorecardresearch

পেল্লাই বাড়ির মালিক রেশন ডিলার-সিভিক ভলেন্টিয়ারের নাম আবাস তালিকায়! তাজ্জব কেন্দ্রীয় দল

বিস্ময়ের ঘোর কাটছে না।

পেল্লাই বাড়ির মালিক রেশন ডিলার-সিভিক ভলেন্টিয়ারের নাম আবাস তালিকায়! তাজ্জব কেন্দ্রীয় দল
সুবিধাপ্রাপকদের সঙ্গে কথা বলছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্য।

আবাস যোজনাযর তালিকায় এবার নজরে রেশন ডিলার, সিভিক ভলেন্টিয়ারের নাম। তাদের ঝাঁ চকচকে বাড়ি দেখেই হতচকিত কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। কথা বলেন আবাস যোজনায় সুবিধাপ্রাপ্ত ওইসব পরিবারের সঙ্গে। যদিও উপভোক্তাদের দাবি, তাদের এই বাড়ি তৈরি হয়েছে আবাস যোজনায় পাওয়া অর্থে নয়। বৃহস্পতিবার এই ঘটনা ঘটনা কালিয়াচক ৩ ব্লকের চরিঅনন্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কামারপাড়া গ্রামে। 

এদিন গ্রামে গিয়ে আবাস যোজনার তালিকায় থাকা সিভিক ভলেন্টিয়ার অভিজিৎ পাণ্ডের পরিবারের সঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল কথা বলেন। যদিও জেলাশাসকের দাবি ডিসেম্বর মাসেই তার নাম বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

সরজমিনে সবদিন খতিয়ে দেখতে তৃতীয় দিনে কালিয়াচক ৩ ব্লকে যান কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। কালিয়াচক ৩ ব্লক প্রশাসনিক অফিসে বেশ কিছুক্ষন বৈঠক কেন্দ্রীয় দলের অফিসারেরা। এরপর গ্রামের উদ্দ্যেশে রওনা দেন। কেন্দ্রীয় দুই সদস্যর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) জামিল ফতেমা জেবা। 

ঝা চকচকে পেল্লায় বাড়ি। পেশায় রেশন ডিলার। কালিয়াচক ৩ নম্বর ব্লকের চরিঅনন্তপুর গ্রামের যদুনন্দন দাস নামে ওই রেশন ডিলারের নাম আবাস যোজনার তালিকায় রয়েছে। তবে ওই রেশন ডিলারের দাবি করেছেন, তিনি কখনও আবাস যোজনার জন্য আবেদন করেননি।

মালদার জেলাশাসক নীতিন সিঙ্হানিয়া জানিয়েছেন, বাড়ি পাবার যোগ্য নয় এমন ১১ জনের নাম বাতিল করা হয়েছে গত বছর ডিসেম্বর মাসে।

এরপর হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের ভালুকা গ্রাম পঞ্চায়েতের মহালদার পাড়ায় যান কেন্দ্রের দুই প্রতিনিধির দল। সেখানে গিয়ে নজরে আসে, যাদের বাড়ি আছে তারাও আবাসের বাড়ি পেয়েছেন। এই এলাকারই বাসিন্দা কৈলাস চৌধুরী নামে একটি তৃণমূল নেতা যাঁর পাকা বাড়ি রয়েছে তাঁর নামেও ঘর এসে গিয়েছে। যদি ওই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা কোন প্রতিক্রিয়া দেননি।

জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া জানিয়েছেন, ভালুকা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ৫৫ জনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে তালিকা থেকে।

বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কাজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি জেলাশাসকের সঙ্গেও বৈঠক করেন এই দুই প্রতিনিধি দল।

বিজেপির উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত বলেন, ‘আবাস যোজনা নিয়ে এই প্রতিনিধি দল সামান্য কিছু জায়গায় গিয়েছে। তাতেই তারা এত দুর্নীতি দেখতে পেয়েছে। গোটা জেলা ঘুরলে কি অবস্থা হতো?’

তৃণমূলের রাজ্য কমিটি সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন , ‘একাংশ আধিকারিক এবং কিছু ব্যক্তি সরকারকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এই ধরনের কাজ করেছে। সরকারের উচিত এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার।’

Stay updated with the latest news headlines and all the latest Westbengal news download Indian Express Bengali App.

Web Title: Awas yojana scam malda kaliachak