/indian-express-bangla/media/media_files/2025/06/18/High court-a2e77e2c.jpg)
Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্ট।
মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বাবরি মসজিদ নির্মাণের বিরুদ্ধে দায়ের করা পাবলিক ইন্টারেস্ট লিগ্যালিটি (PIL) বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্ট খারিজ করেছে।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে বলা হয়েছে যে, আবেদনকারীর এ বিষয়ে কোনও আইনগত স্বার্থ নেই। আদালত উল্লেখ করেছে, রাজ্য সরকারের “উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের” সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে। তাই PILটি প্রক্রিয়াগত কারণে খারিজ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন- Mamata Banerjee: “২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ, ২ কোটি চাকরি, বাংলায় শিল্প নেই?” বিরোধীদের জবাব মমতার
গত সপ্তাহে দায়ের করা PIL-এ বলা হয়েছিল যে, ধর্মীয় স্থাপনা শুধুমাত্র রাজ্য সরকারের অনুমোদনের মাধ্যমে নির্মাণ করা যায়। অভিযোগে বলা হয়, “জেলা কালেক্টরের লিখিত অনুমতি না নিয়ে নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে। ‘বাবরি মসজিদ’ নামটি অতীতের আযোধ্যা বাবরি মসজিদ-রাম জন্মভূমি বিতর্ককে স্মরণ করায়, যা দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
অনুমোদন ছাড়া নির্মাণ কাজ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুন্ন করতে পারে, জনশৃঙ্খলার বিঘ্ন এবং সংবিধানের ১৪, ২১, ২৫ ধারার মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন ঘটাতে পারে।” PIL-এ হুমায়ুন কবীরকে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি নির্মাণ সাময়িকভাবে বন্ধ করার আবেদন জানানো হয়েছিল।
এই মাসের শুরুতে হাইকোর্টে একাধিক PIL দায়ের করা হয়েছিল, যাতে হুমায়ুন কবীরকে ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন থেকে বিরত রাখা যায়। আদালত তখন হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করে জানিয়েছিল যে, কোনও ব্যক্তিকে উপাসনালয় নির্মাণ থেকে বিরত রাখা সম্ভব নয়। তবে আদালত রাজ্যকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিল এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করার পরামর্শ দিয়েছিল।
হুমায়ুন কবীর গত ৬ ডিসেম্বর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি তৃণমূল ছেড়ে ২২ ডিসেম্বর নতুন রাজনৈতিক দল গঠনেরও ঘোষণাও করেছেন।
রেজিনগরের প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক কবীরের রাজনৈতিক জীবন ওঠানামা করছিল। ২০১৫ সালে তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হন, ২০১৬ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন কিন্তু হারেন। ২০১৮ সালে বিজেপিতে যোগ দেন এবং ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে মুর্শিদাবাদ থেকে লড়েন, কিন্তু পরাজিত হন। পরে তৃণমূলে পুনরায় যোগ দিয়ে ভারতপুর থেকে জয়লাভ করেন।
আরও পড়ুন- ভোটে হুমায়ুন-নওশাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই? সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বিরাট থাবা? ল্যাজেগোবরে তৃণমূল?
গত এক বছর ধরে তিনি তৃণমূলের সিনিয়র নেতাদের, বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠানের প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছেন। দল জানিয়েছে, তার মন্তব্য দলের নেতৃত্বকে বিব্রত করেছে, যার জন্য তাকে বারবার সতর্ক ও শোকজ নোটিস দেওয়া হয়েছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us