/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/21/bangla-pokkho-international-mother-language-day-bengali-language-rights-week-2026-02-21-18-31-25.jpg)
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বাংলা ভাষার অধিকার রক্ষায় পথে বাংলা পক্ষ
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকায় উর্দু চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলনে শহিদ হন একাধিক বাঙালি। তাঁদের আত্মবলিদানের স্মৃতিতেই আজ বিশ্বজুড়ে পালিত হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। মাতৃভাষার অধিকার থেকে বঞ্চিত যে কোনও জাতির কাছেই দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম।
আরও পড়ুন- শিয়ালদহ-শিলচর বা কলকাতা-সাইরাং; গন্তব্যে পৌঁছানো হবে আরও সহজ! ট্রেনের নয়া স্টপেজে বাজিমাত রেলের
এবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলা পক্ষ পালন করল ‘বাংলা ভাষার অধিকার সপ্তাহ’। সংগঠনের দাবি, বাংলা ভাষাকে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি দপ্তর থেকে বেসরকারি ক্ষেত্র পর্যন্ত সর্বত্র কাজের ভাষা হিসেবে বাধ্যতামূলক করতে হবে। এই দাবিতে সপ্তাহজুড়ে একাধিক ডেপুটেশন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি নেওয়া হয়। রাজ্য সরকারি চাকরিতে বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলকের দাবিতে পিএসসি ভবনে, স্কুলশিক্ষায় বাংলা বাধ্যতামূলকের দাবিতে শিক্ষাদপ্তরে ডেপুটেশন দেওয়া হয়। কলকাতা পুর এলাকায় সাইনবোর্ডে বাংলা বাধ্যতামূলক আইনের বাস্তবায়ন, রেলে বাংলা ভাষায় পরিষেবা ও বাংলা জানা কর্মী নিয়োগের দাবিতে পূর্ব রেল ও মেট্রো ভবনেও স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।
সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি জানান, পৌর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর এবং পঞ্চায়েত দপ্তরের সচিবদের ইমেল করে রাজ্যের সমস্ত পৌরসভা ও পঞ্চায়েত এলাকায় পরিষেবা থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত সর্বত্র বাংলা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি হকারি, অটো ও টোটো লাইসেন্সে বাঙালিদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। উবার-ওলার মতো যাত্রী পরিষেবাতেও বাংলা ভাষায় পরিষেবা ও চালকদের বাংলা জানা বাধ্যতামূলক করার দাবি তোলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলার মাটিতে বাংলা ভাষাকে প্রকৃত অর্থে কাজের ভাষা করে তোলাই সংগঠনের লক্ষ্য। ব্যাঙ্ক পরিষেবায় বাংলার দাবিতে করা জনস্বার্থ মামলায় হলফনামা সত্ত্বেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে মাতৃভাষায় পরিষেবা মিলছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে বৃহত্তর আন্দোলন ও আইনি লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেন কৌশিক মাইতি। কলকাতার বেলেঘাটায় আয়োজিত মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অন্যদিকে, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বরানগরে ভাষা শহিদদের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানান। তাঁর বক্তব্য, একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু উদযাপনের দিন নয়, মাতৃভাষার অধিকার রক্ষার শপথ নেওয়ার দিন। বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণে আক্রমণ ও হত্যার ঘটনাগুলির প্রসঙ্গ তুলে তিনি দাবি করেন, এ ধরনের ঘটনাকে ভাষা শহিদদের মর্যাদা দেওয়া উচিত।
আরও পড়ুন- Central Force: ভোটের আগেই বুটের শব্দ! ১ মার্চ থেকেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী, তছনছ হবে সব ছক?
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us