/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/07/mithun-2026-01-07-11-37-07.jpg)
Mob lynching Bangladesh: বাংলাদেশে আবারও রোষের বলি হিন্দু যুবক।
Mithun Sarkar death: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতার ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে। মঙ্গলবার দুপুরে ভান্ডারপুর গ্রামের ২৫ বছর বয়সী হিন্দু যুবক মিঠুন সরকার উন্মত্ত জনতার হাত থেকে বাঁচতে খালে ঝাঁপ দিয়ে মারা যান। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। সংবাদসংস্থা এনডিটিভি-র প্রতিবেদনে এমনই উল্লেখ করা হয়েছে।
ওই সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, মিঠুন সরকারের মৃত্যু সাম্প্রতিক কয়েক দিনের সহিংসতার ধারাবাহিক ঘটনাগুলোর মধ্যে সর্বশেষ। এর আগে যশোরে এক হিন্দু ব্যবসায়ী, যিনি একটি পত্রিকার কার্যনির্বাহী সম্পাদকও ছিলেন, তাঁকে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা মাথায় গুলি করে কুপিয়ে খুন করেছে।
ওই একই দিনে নারসিংদী শহরে ৪০ বছর বয়সী হিন্দু মুদি দোকানদারকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়। এর আগে ৩ জানুয়ারি শারিয়াপুর জেলার দমুডিয়া থানার কেয়ুরভাঙা বাজারে খোকন চন্দ্র দাস (৫০) কে নির্মমভাবে মারধর করে আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়।
আরও পড়ুন- West Bengal News Live Updates: পাখির চোখ বিধানসভা ভোট, আজ দুই দিনাজপুরে অভিষেকের মেগা কর্মসূচি
এই ঘটনা চলতি ডিসেম্বর মাসের সহিংসতার ধারাবাহিক। গত ২৪ ডিসেম্বর রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় অভিযোগভিত্তিক ঋণ দাবির কারণে অমৃত মন্ডল লিঞ্চিংয়ের শিকার হন। ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে দীপু চন্দ্র দাস (২৫) ও উন্মত্ত জনতার রোষের বলি হয়েছিলেন। তাঁকে মারধরের পর জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
আরও পড়ুন-Amartya Sen: অমর্ত্য সেনকে SIR নোটিশ? অভিষেকের দাবি ওড়ালেন নোবেলজয়ীর ঘনিষ্ঠের
বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান একতা পরিষদ জানিয়েছে, শুধুমাত্র ডিসেম্বর মাসেই অন্তত ৫১টি লক্ষ্যভিত্তিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে রয়েছে ১০টি হত্যাকাণ্ড। এছাড়াও অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও লুটপাটের ঘটনা রিপোর্ট করা হয়েছে। পরিষদের রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই সহিংসতা সম্ভবত ফেব্রুয়ারি ১২-এর ভোটের আগে সংখ্যালঘুদের আতঙ্কিত করার উদ্দেশ্যে সংগঠিত।
পরিষদের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, "বাংলাদেশ আগেও রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখোমুখি হয়েছে, তবে এই মুহূর্তের পরিস্থিতি বিপজ্জনক, সংস্থা-নির্ভরতা দুর্বল এবং সংখ্যালঘুদের ওপর আঘাতের ঝুঁকি বেড়েছে।"
মানবাধিকার পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডগুলো অপ্রত্যাশিত নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার অক্ষমতার একটি সিস্টেম্যাটিক সংকেত। নির্বাচনের সময় যেমন কাছে আসছে, আন্তর্জাতিক মহলও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অস্থায়ী প্রশাসনের স্থিতিশীলতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us