/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/07/religious-violence-bangladesh-2026-01-07-14-31-41.jpg)
২০ দিনে সপ্তম হিন্দু নিধন
২০ দিনের মধ্যে চরমপন্থীদের তান্ডবে সপ্তম হিন্দু হত্যা ঘিরে বড়সড় প্রশ্নের মুখে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অর্ন্তবর্তী সরকার।
বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসার ঘটনা থামার কোনও লক্ষণ নেই। সাম্প্রতিক ঘটনায় নওগাঁ জেলায় মিঠুন সরকার (২৫) নামে এক হিন্দু যুবকের মৃত্যু নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। অভিযোগ, বুধবার চোর সন্দেহে তাঁকে ধাওয়া করে একদল মানুষ। প্রাণ বাঁচাতে তিনি জলাশয়ে ঝাঁপ দেন। সেখানে ডুবে মৃত্যু হয়েছে তার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে পদ্মাপাড়ে। এনিয়ে গত ২০ দিনের মধ্যে সাত জন হিন্দু হত্যার অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি করেছে সংখ্যালঘু সংগঠনগুলির দাবি।
ভোটের মুখে বঙ্গ BJP-র মাস্টারস্ট্রোক! সংগঠনে বিরাট রদবদল! বড় দায়িত্বে সৌমিত্র, আর কারা কোন পদে?
পরপর এই ধরনের ঘটনার জেরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। বাংলাদেশের একের পর এক জেলা থেকে হিন্দু হত্যার খবর সামনে আসতেই উদ্বেগ প্রকাশ করছে বিভিন্ন মানবাধিকার ও সংখ্যালঘু সংগঠন।
বাংলাদেশ সংখ্যালঘু ফোরামের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে, যার ফলে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গত ২০ দিনের মধ্যে দীপু দাস, খোকন দাস, রানা প্রতাপ বৈরাগী, মণি চক্রবর্তী এবং মিঠুন সরকার একে একে খুন হতে হয়েছে হিন্দু যুবককে।
সংখ্যালঘু ফোরামের অভিযোগ, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই সাম্প্রদায়িক হিংসার মাত্রা বাড়ছে লাগাছাড়া হারে । শুধুমাত্র ডিসেম্বর মাসেই কমপক্ষে ৫১টি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে বলে তাদের দাবি।
মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের বাস্তব রূপ! ভিনরাজ্যে খুন হওয়া শ্রমিকের মায়ের হাতে সরকারি চাকরি
এই ঘটনাগুলির মধ্যে রয়েছে ১০টি হত্যাকাণ্ড, ১০টি চুরি ও ডাকাতির ঘটনা, ২৩টি দখল, বাড়িঘর, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, মন্দির ও জমিতে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ। পাশাপাশি ধর্মীয় অবমাননা এবং ‘র’ এজেন্ট হওয়ার মিথ্যা অভিযোগে আটক ও নির্যাতনের চারটি ঘটনা, একটি ধর্ষণের চেষ্টা এবং তিনটি শারীরিক হামলার অভিযোগও রয়েছে বলে জানিয়েছে সংখ্যালঘু ফোরাম।
৪ জানুয়ারি স্বর্ণ ব্যবসায়ী শুভ পোদ্দারকে বেঁধে রেখে তাঁর দোকান থেকে গয়না লুট করা হয় বলে অভিযোগ। একই দিনে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৪০ বছর বয়সী এক হিন্দু বিধবাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয় এবং মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
এই সব ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রশাসনের ভূমিকা এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছে সংখ্যালঘু সংগঠনগুলি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে, যাতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
'ভাতা নয়, বেতন চাই', স্বাস্থ্য ভবনর সামনে আশা কর্মীদের বিরাট বিক্ষোভে ধুন্ধুমার
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us