/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/18/bangladesh-hindu-worker-run-over-rajbari-2026-01-18-09-54-01.jpg)
শিউরে ওঠার মত ঘটনা বাংলাদেশে
ফের পদ্মাপাড়ে খুন হিন্দু যুবক। বাংলাদেশের রাজবাড়ি জেলায় একটি পেট্রোল পাম্পে পেট্রোল ভরে বিল না দেওয়ার প্রতিবাদ করেছিলেন বছর ৩০-এর কর্মী রিপন সাহা। এরই শাস্তি হিসাবে তাকে SUV তে পিষে খুন করা হয়। এই ঘটনায় রীতিমত তোলপাড় পড়ে গিয়েছে দেশজুড়ে।
রিপন সাহা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই পাম্পে কাজ করতেই বলেই স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে। পাম্প থেকে পেট্রোলের টাকা না দিয়ে চলে যাওয়া একটি গাড়িকে থামানোর চেষ্টা করেছিলেন। অভিযোগ, তখনই গাড়ির চালক তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়, যা ঘটনাস্থলেই রিপনের মৃত্যু ঘটে।
অভিষেকের ‘গদ্দার’ মন্তব্যে 'অ্যাকশনে' হুমায়ুন কবীর, তুললেন বিরাট অভিযোগ, কেঁপে উঠল রাজ্য-রাজনীতি
স্থানীয় পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার ভোর ৪:৩০ নাগাদ একটি কালো SUV গাড়ি ৩,৭১০ টাকা মূল্যের পেট্রোল ভরে পাম্প থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। বিল না দেওয়ায় রিপন গাড়িটিকে যেতে বাধা দেয়। সেই সময় গাড়ির চালক তাকে গাড়ি চাপা দিয়ে চলে যায় বলে অভিযোগ।
পরে পুলিশ ওই গাড়িটিকে আটক করে মালিক আবুল হাসেম (সুজান), ৫৫, এবং চালক কমল হোসেন, ৪৩-কে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানিয়েছে, আবুল হাসেম রাজবাড়ি জেলা বিএনপির প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ ও জেলা যুবদলের প্রাক্তন সভাপতি ছিলেন এবং বর্তমানে ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশের ১৩.১৩ মিলিয়ন হিন্দু রয়েছে, যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৭.৯৫ শতাংশ। গত কয়েক মাসে একের পর এক হিন্দু হত্যার ঘটনা সামনে এসেছে। যার প্রতিবাদ জানিয়েছে সেদেশের হিন্দু সংগঠনগুলি।
'৪০ বার ভাঙন রোধে বাংলাকে টাকা, লুট প্রতিবারই', দুর্নীতি ইস্যুতে সুর চড়ালেন প্রধানমন্ত্রী মোদী
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ এই ধরনের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হিংসার ঘটনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের অভিযোগ, আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের প্রাক্কালে সংখ্যালঘু ভোটারদের প্রার্থী বেছে দেওয়া থেকে বিরত রাখতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বাড়ানো হচ্ছে। ডিসেম্বর ২০২৫ মাসে একাই ৫১টি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।
ভারতও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ করে হিন্দুদের ওপর হিংসার ঘটনার সমালোচনা করেছে। ভারতের বক্তব্য, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা ব্যক্তিগত বিরোধ বা অন্য কোনো কারণ দিয়ে ছোট করা হচ্ছে, যা বাংলাদেশে চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলিকে আরও উৎসাহিত করছে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us