/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/29/bangladesh-police-osman-hadi-suspects-india-bs-f-meghalaya-2025-12-29-10-36-42.jpg)
প্রতীকী ছবি
Bangladesh Protest: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদীর হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে চলমান অস্থিরতার মধ্যে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশের দাবি, এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই প্রধান সন্দেহভাজন সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে। তবে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং মেঘালয় পুলিশ রবিবার এই দাবি সম্পূর্ণভাবে খারিজ করে দিয়ে ঢাকার এই দাবিতে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করেছে।
আরও পড়ুন-টাটা-এর্নাকুলাম এক্সপ্রেসে ভয়াবহ আগুন! দুটি বগি পুড়ে ছাই...একজন নিহত, আহত একাধিক
বাংলাদেশ পুলিশ সূত্রে জানানো হয়, হাদি হত্যা মামলার দুই সন্দেহভাজন স্থানীয় সহযোগীদের সহায়তায় ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যায়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) এস এন মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর শেখ সীমান্ত অতিক্রম করে মেঘালয়ে প্রবেশ করে। তাঁর দাবি অনুযায়ী, সীমান্ত পার হওয়ার পর পূর্তি নামে এক ব্যক্তি তাদের আশ্রয় দেন এবং পরে সামি নামে এক ট্যাক্সি চালক তাদের মেঘালয়ের তুরা শহরে পৌঁছে দেয়।
আরও পড়ুন- ১ জানুয়ারি মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাওয়ের ডাক, পুলিশি অ্যাকশনের বিরুদ্ধে সরব হুমায়ুন
তবে এই বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ করেছে ভারত। মেঘালয়ে বিএসএফের ডিজি ওপি উপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, হালুয়াঘাট সেক্টর দিয়ে কোনও ব্যক্তি আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে মেঘালয়ে প্রবেশ করেছে এমন কোনও তথ্য বা প্রমাণ বিএসএফের কাছে নেই। তিনি বলেন, “এই ধরনের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর। বিএসএফ এমন কোনও ঘটনা প্রত্যক্ষ করেনি, কিংবা এ বিষয়ে কোনও রিপোর্টও পায়নি।”
আরও পড়ুন-শীতের সুনামিতে কাঁপছে বাংলা, বর্ষশেষে আবহাওয়ার আরও বড় চমক? তুষারপাতের সতর্কতা!
মেঘালয় পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও বাংলাদেশের দাবিকে নস্যাৎ করে জানান, এলাকায় সন্দেহভাজনদের উপস্থিতি সম্পর্কে কোনও গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, স্থানীয় পুলিশ ইউনিটগুলিও এ ধরনের কোনও সন্দেহজনক বিষয়ের কথা জানায়নি। তবে পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় শরিফ ওসমান হাদীর মাথা লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। এই মৃত্যুকে ঘিরেই বাংলাদেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ও হিংসার ঘটনা ঘটে, যার জেরে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের নিয়ে বাংলাদেশের দাবি ও ভারতের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা স্তরে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। পরিস্থিতির গতিপ্রকৃতি ঘিরে দুই দেশই সতর্ক নজর রাখছে।
আরও পড়ুন- BLO death: স্কুলঘরেই ঝুলন্ত দেহ BLO-প্রধান শিক্ষকের, সুইসাইড নোটে ‘অমানবিক চাপ’-এর অভিযোগ
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us