/indian-express-bangla/media/media_files/2025/04/22/5QFOIxPp9zxCjBgjeY8H.jpg)
Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
state anthem: রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও সরকারপোষিত স্কুলে এবার থেকে বাধ্যতামূলকভাবে গাওয়া হবে রাজ্যগান ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’। বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে এই মর্মে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “উচ্চ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সকল স্কুলের প্রধানদের জানানো হচ্ছে, প্রতিদিন সকালের প্রার্থনাসভায় রাজ্যগান ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ নিয়মিতভাবে গাওয়া বাধ্যতামূলক।”
এই সিদ্ধান্তের কথা সামাজিক মাধ্যম X (পূর্বতন টুইটার)-এ জানিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি লেখেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদনক্রমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ১৯০৫ সালের গান ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ এখন থেকে রাজ্যের সরকারি ও সরকারপোষিত সমস্ত স্কুলের প্রার্থনাসভার সূচনাতেই গাওয়া হবে।”
আরও পড়ুন- West Bengal News Live Updates: সাতসকালে কলকাতার নাকের ডগায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা! রেলিং টপকে খালে বাস
মন্ত্রী আরও বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরেরই রচিত ভারতের জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর পাশাপাশি যদি রাজ্যগানটিও নিয়মিত গাওয়া হয়, তবে তা সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক ঐক্যের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নেবে।”
উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে একটি নাগরিক সম্মেলন ডাকা হয়েছিল রাজ্যগান নির্বাচনের জন্য। ওই বৈঠকে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা ও বিশিষ্ট নাগরিকেরা একমত হয়ে রবীন্দ্রনাথের এই গানকেই রাজ্যগান হিসেবে বেছে নেন। পরবর্তীতে রাজ্য বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ করে ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’-কেই রাজ্যগান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত হয়, রাজ্য সরকারের সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠানের শুরুতে গাওয়া হবে রাজ্যগান, আর শেষ হবে জাতীয় সঙ্গীত দিয়ে।
আরও পড়ুন- ED raid: রেস্তোরাঁর আড়ালে নারী পাচার ও টাকা নয়ছয়? একযোগে কলকাতার সাত জায়গায় ইডির তল্লাশি
শিক্ষা পর্ষদের নতুন নির্দেশ আসছে এমন এক সময়ে, যখন কেন্দ্র ও বিজেপি ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করছে। এ বিষয়ে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, “সারা দেশ যখন বন্দে মাতরম উদযাপন করছে, তখন তৃণমূল কংগ্রেসও মনে করছে, তাদের কিছু করতে হবে। কেন্দ্র যখন এমন উদ্যোগ নিয়েছে, তখনই ওদের হঠাৎ করে বাঙালি আবেগ আর ‘বাংলা অস্মিতা’-র জোয়ার এসেছে।”
আরও পড়ুন- SIR: নাম নেই লিস্টে, নেই শান্তি মনে! SIR আতঙ্কে দিনমজুর থেকে শিক্ষক! থামছেই না মৃত্যুমিছিল?
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে ব্রাত্য বসু পাল্টা বলেন, “বিজেপি বিভাজনের রাজনীতি করে। এখন তারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মধ্যে ফাটল তৈরির চেষ্টা করছে। বিজেপি বরাবরই রবীন্দ্রনাথকে অপছন্দ করে এসেছে। কারণ, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন ব্রাহ্ম সমাজের মানুষ, তিনি হিন্দু-ব্রাহ্মণ ছিলেন না। দ্বিতীয়ত, তাঁর লেখায় সর্বদা হিন্দু-মুসলমান ঐক্যের কথা উঠে এসেছে। তৃতীয়ত, কংগ্রেস — হোক তা গান্ধীজি, নেহরু বা নেতাজি — সকলেই রবীন্দ্রনাথকে গভীর শ্রদ্ধা করতেন।”
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us