Bank Strike: ৯৬ ঘন্টার জন্য বন্ধ ব্যাংকিং পরিষেবা! গ্রাহকদের চরম দুর্ভোগের বিরাট আশঙ্কা

Bank Strike:জানুয়ারি মাসের শেষে টানা ছুটি ও প্রস্তাবিত ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের জেরে দেশের ব্যাংকিং পরিষেবা কার্যত অচল হয়ে পড়তে পারে।

Bank Strike:জানুয়ারি মাসের শেষে টানা ছুটি ও প্রস্তাবিত ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের জেরে দেশের ব্যাংকিং পরিষেবা কার্যত অচল হয়ে পড়তে পারে।

author-image
IE Bangla Web Desk
New Update
Bank strike January, UFBU bank strike, banks closed four days, 5 day banking week, bank employees strike India, January bank holidays, banking services affected, public sector banks strike, bank strike news India

৯৬ ঘন্টার জন্য বন্ধ ব্যাংকিং পরিষেবা!

Bank Strike: ৯৬ ঘন্টার জন্য ব্যাংকিং পরিষেবা বন্ধ থাকবে; এই তারিখের আগে আপনার গুরুত্বপূর্ণ কাজ শেষ করুন।

Advertisment

জানুয়ারি মাসের শেষে টানা ছুটি ও প্রস্তাবিত ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের জেরে দেশের ব্যাংকিং পরিষেবা কার্যত অচল হয়ে পড়তে পারে। ছুটির দিন এবং ২৭ জানুয়ারি দেশব্যাপী ব্যাংক ধর্মঘট হলে সরকারি ও কিছু বেসরকারি ব্যাংকে সব মিলিয়ে প্রায় ৯৬ ঘণ্টা পরিষেবা বন্ধ থাকার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর ফলে চেক ক্লিয়ারিং, নগদ জমা ও তোলা, ডিমান্ড ড্রাফট-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংকিং পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে। সাধারণ মানুষকে আগেভাগেই প্রয়োজনীয় ব্যাঙ্কিং কাজ সেরে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন- মৌসমকে নিয়ে কটাক্ষ করেই বিতর্কের মুখে জেলা দাপুটে কংগ্রেস নেতা, তুঙ্গে চর্চা

জানুয়ারির শেষে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়তে চলেছে। ব্যাংক কর্মচারীদের বৃহত্তম সংগঠন ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাংক ইউনিয়নস (UFBU) তাদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দেশব্যাপী আন্দোলনের পথে হাঁটার ঘোষণা করেছে। প্রস্তাবিত ধর্মঘট কার্যকর হলে সরকারি ব্যাঙ্কের পাশাপাশি কিছু বেসরকারি ব্যাংকের পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হল, ধর্মঘটের তারিখ এমন সময়ে নির্ধারণ করা হয়েছে, যখন তার আগে পরপর কয়েকদিন ছুটি থাকায় ব্যাংকগুলি টানা চার দিন বন্ধ থাকার পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

ব্যাংক কর্মচারীদের বৃহত্তম সংগঠন ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাংক ইউনিয়নস (UFBU) পাঁচ দিনের কর্ম সপ্তাহ চালুর দাবিতে আন্দোলনের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইউনিয়নের ঘোষিত ধর্মঘট কার্যকর হলে সরকারি খাতের পাশাপাশি কিছু বেসরকারি ব্যাংকের কাজকর্ম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২৪ জানুয়ারি চতুর্থ শনিবার হওয়ায় ব্যাংক বন্ধ থাকবে, ২৫ জানুয়ারি রবিবার সাপ্তাহিক ছুটি এবং ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের জাতীয় ছুটি। এই টানা তিন দিনের ছুটির পরেই ২৭ জানুয়ারি সর্বভারতীয় ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে UFBU। ফলে গ্রাহকদের ব্যাংকিং কাজের জন্য ২৩ জানুয়ারির পর সরাসরি পরবর্তী কার্যদিবস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। অর্থাৎ টানা চারদিন বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা। 

আরও পড়ুন- West Bengal weather: বরফশীতল বাংলা! কলকাতায় পারদ ১২-এর ঘরে, জেলাগুলিতে হাড়কাঁপুনি, এসপ্তাহেই ঠান্ডা ভাঙবে সর্বকালীন রেকর্ড?

এই আন্দোলনের মূল দাবি হল ব্যাংকগুলিতে পাঁচ দিনের কর্ম সপ্তাহ চালু করা। কর্মচারীদের যুক্তি, ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক (RBI), এলআইসি ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই এই ব্যবস্থা চালু করেছে। পাশাপাশি শেয়ার বাজার ও অন্যান্য আর্থিক বাজার শনিবার বন্ধ থাকে। সেই কারণেই সাধারণ ব্যাংকগুলিতেও শনিবার ছুটি দেওয়ার দাবি তোলা হয়েছে। গ্রাহকদের অসুবিধা এড়াতে ইউনিয়নগুলি প্রতি কর্মদিবসে ৪০ মিনিট অতিরিক্ত কাজ করার প্রস্তাবও দিয়েছে।

ইউনিয়নগুলির দাবি, ২০২৪ সালের মার্চ মাসে ইন্ডিয়ান ব্যাংকস অ্যাসোসিয়েশন (IBA)-এর সঙ্গে মজুরি সংশোধন চুক্তির সময় এই বিষয়ে নীতিগত ঐকমত্য হলেও এখনও পর্যন্ত সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। এই বিলম্বেই ক্ষোভ বেড়েছে বলে জানিয়েছে UFBU। 

টানা চার দিন ব্যাংক বন্ধ থাকলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও সমস্যায় পড়তে পারেন। নগদ লেনদেন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি এটিএমে নগদের ঘাটতির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, জরুরি আর্থিক কাজ থাকলে ২৩ জানুয়ারির মধ্যেই তা সম্পন্ন করাই যুক্তিযুক্ত।

আরও পড়ুন-দার্জিলিং মেলে এসি কামরায় ডাকাতি! বর্ধমান স্টেশনে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন যাত্রীরা, নিরাপত্তা নিয়ে বিরাট প্রশ্ন

Bank Strike