/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/08/bankim-ghat-bridge-collapse-2026-02-08-20-55-34.jpg)
Bankim Ghat bridge collapse: বালিবোঝাই ডাম্পার সহ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল সেতু
Bankim Ghat bridge collapse: জনবহুল বিকেলের বাজারের মধ্যেই ঘটে গেল ভয়াবহ বিপর্যয়। আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটা ব্লকের জটেশ্বর ও পাঁচমাইল সংযোগকারী মুজনাই নদীর ওপর অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ‘বঙ্কিম ঘাট’ সেতু রবিবার বিকেলে আচমকাই ভেঙে পড়ে। বিকেল আনুমানিক পাঁচটা নাগাদ বালিবোঝাই একটি ভারী ডাম্পার সেতু পার হওয়ার সময় সেতুর মাঝের অংশটি ডাম্পারসহ নদীতে ধসে যায়। ঘটনায় গোটা এলাকায় চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন- 'আরএসএস কারও বিরুদ্ধে নয়, কুস্তির আখড়াও নয়' বিরাট বার্তা সংঘ প্রধান মোহন ভাশিয়ার
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই সময় সেতু সংলগ্ন বাজারে প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল। জটেশ্বর দিক থেকে একটি বালিবোঝাই ডাম্পার সেতু পেরিয়ে দেওগাঁওয়ের দিকে যাচ্ছিল। ডাম্পারটি সেতুর মাঝামাঝি পৌঁছাতেই বিকট শব্দে সেতুর মূল কাঠামো ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনার তীব্রতায় কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। বরাতজোরে ডাম্পার চালক অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হলেও, গাড়িটি সেতুর ভাঙা অংশে বিপজ্জনকভাবে আটকে পড়ে।
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই হাজার হাজার মানুষ মুজনাই নদীর দুই পাড়ে ভিড় জমান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছায় জটেশ্বর ফাঁড়ি ও ফালাকাটা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এই পাকা সেতুটির অবস্থা অত্যন্ত জরাজীর্ণ ছিল। তা সত্ত্বেও ভারী যানবাহন চলাচলে কোনো নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে। ব্যস্ত সময়ে দুর্ঘটনাটি ঘটলেও অলৌকিকভাবে কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
আরও পড়ুন- সোনার ৩৯৮০ টাকা সস্তা, রূপার দাম ৬৫০০০ টাকা কমেছে, চলতি সপ্তাহে রেকর্ড পতন
উত্তরবঙ্গে সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনা নতুন নয়। চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি কোচবিহারের শীতলকুচি ব্লকের দেবনাথপাড়া এলাকাতেও একই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। সেখানেও বালি বা পাথর বোঝাই একটি ভারী ডাম্পার পারাপারের সময় অতিরিক্ত ওজন সহ্য করতে না পেরে সেতুর কাঠামো ভেঙে পড়ে। ফালাকাটা ও শীতলকুচির এই দুটি ঘটনায় প্রশাসনের নজরদারি ও সেতু রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে।
ফালাকাটার বঙ্কিম ঘাট সেতু ভেঙে পড়ায় জটেশ্বর ও পাঁচমাইলের মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। এর জেরে সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। সেতুর দু’পাশে বহু ছোট-বড় যানবাহন আটকে পড়ায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন ডাম্পার উদ্ধারের পাশাপাশি বিকল্প পথে যান চলাচলের ব্যবস্থা করতে উদ্যোগী হয়েছে। তবে বারবার ভারী ডাম্পার পারাপারের ফলেই এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে স্থানীয়দের মত, যা উত্তরবঙ্গের পুরনো সেতুগুলোর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নজরদারির প্রয়োজনীয়তাকেই সামনে এনে দিচ্ছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us