/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/30/bankura-indas-political-murder-bjp-worker-brother-killed-2026-01-30-15-28-31.jpg)
মৃত বিজেপি কর্মীর দাদা
বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বাংলায় রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করেছে। বাঁকুড়ার ইন্দাস থানার অন্তর্গত খটনগর গ্রামে এক বিজেপি কর্মীর ভাইকে খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম সুজয় রং (৪০)। অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মারধরের ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন- রাজীব বিদায়! কে হবেন রাজ্যের পরবর্তী ডিজিপি? তুঙ্গে চর্চা
পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার দিন তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন কর্মী বিজেপি কর্মীকে খুঁজতে তাঁর বাড়িতে আসে। তবে তাঁকে বাড়িতে না পেয়ে তারা সেখান থেকে চলে যায়। পরে সন্ধ্যায়, বাজারের উদ্দেশ্যে বেরোনোর সময় রাস্তায় সুজয় রংকে আটকানো হয়। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা তাঁকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করে। নির্মমভাবে মারধরের জেরে ঘটনাস্থলেই তিনি লুটিয়ে পড়েন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খাটনগর গ্রামের শিবতলা কলোনির বাসিন্দা সুজয় রং রাত প্রায় ৮টা নাগাদ ডিম কিনতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। সেই সময় স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী নয়ন রায় ও পিন্টু রায় তাঁকে চড়-থাপ্পড় ও ঘুষি মারতে শুরু করে বলে অভিযোগ। পরে তাঁকে রাস্তায় ফেলে দিয়েও মারধর করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাটি দেখে বাধা দিলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা সুজয় রংকে ইন্দাস ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। তবে সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে ক্যাম্প করছে।
এই ঘটনায় মৃতের পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। এফআইআরে নয়ন রায় ও পিন্টু রায়ের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে ইন্দাস থানার পুলিশ পিন্টু রায়কে গ্রেপ্তার করেছে। অন্য অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
বিজেপি বিধায়ক নির্মল কুমার ধাড়া গভীর রাতে মৃতের পরিবারের সঙ্গে থানায় পৌঁছান। তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই এই খুন হয়েছে। মৃতের ভাই প্রসাদ রং বলেন, “আমি বিজেপির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে নিয়মিত হুমকি পেতাম। ভয়ে বাড়ির বাইরে বের হতাম না। আমাকে না পেয়ে ওরা আমার ভাইকে খুন করেছে। আমরা অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি চাই।” অন্যদিকে, বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি জীবন মণ্ডলের নির্দেশেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়ুন- অর্থমন্ত্রী কি মধ্যবিত্তদের প্রত্যাশা পূরণ করবেন? কর ছাড়ের সীমা আরও বাড়বে? বাজেটের আগে জোর জল্পনা


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us