/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/28/baramati-plane-crash-black-box-investigation-ajit-pawar-2026-01-28-13-35-56.jpg)
বারামতী বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ পাঁচজনের মৃত্যু
Ajit pawar Death: বারামতী বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার সহ পাঁচজনের মৃত্যুর পর তদন্তের কেন্দ্রে উঠে এসেছে বিমানের ‘ব্ল্যাক বক্স’। বুধবার সকালে বারামতী বিমানবন্দরের কাছে ভিএসআর ভেঞ্চারস পরিচালিত একটি লিয়ারজেট-৪৫ বিমান বিধ্বস্ত হয়। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার, পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত, ফার্স্ট অফিসার শাম্ভবী পাঠক এবং বিমানের ক্রু মেম্বার পিঙ্কি মালিসহ বিমানে থাকা সকলেই প্রাণ হারান। দুর্ঘটনার কারণ জানতে এখন ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার (FDR) এবং ককপিট ভয়েস রেকর্ডার (CVR) বা ব্ল্যাক বক্স বিশ্লেষণের প্রস্তুতি নিচ্ছে DGCA।
আরও পড়ুন-আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ডে মৃত বেড়ে ১১, গ্রেফতার ডেকরেটর সংস্থার মালিক, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রাজ্যের
ডিজিসিএ সূত্রে জানা গেছে, লিয়ারজেট-৪৫ বিমানটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান (FAR Part 25) মেনে তৈরি, যার ফলে এতে বাধ্যতামূলকভাবে ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার এবং ককপিট ভয়েস রেকর্ডার সংযুক্ত ছিল। দুর্ঘটনার পর ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করে তা পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। সেখান থেকে পাইলটদের শেষ কথোপকথন, ককপিটে কোনও সতর্ক সংকেত বার্তা বেজেছিল কি না এবং দুর্ঘটনার ঠিক আগের প্রযুক্তিগত পরিস্থিতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন- মোদী, যোগী থেকে মুর্মু... অজিত পাওয়ারের মৃত্যুতে শোকের আবহ দেশজুড়ে
তদন্তকারীদের মতে, ককপিট ভয়েস রেকর্ডার পাইলটদের মধ্যে শেষ মুহূর্তের কথোপকথন, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সম্ভাব্য জরুরি পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিতে পারে। অন্যদিকে, ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার থেকে বিমানের গতি, উচ্চতা, ইঞ্জিনের কার্যকারিতা, দিক পরিবর্তন এবং অবতরণের সময়কার প্রযুক্তিগত ত্রুটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। এই দুই রেকর্ডার একত্রে বিশ্লেষণ করলেই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন- বারামতিতে বিমান দুর্ঘটনায় প্রয়াত উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার, শোকজ্ঞাপন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর
ব্ল্যাক বক্স নাম হলেও এটি আসলে কালো নয়, উজ্জ্বল কমলা রঙের। দুর্ঘটনার ধ্বংসাবশেষের মধ্যে সহজে শনাক্ত করার জন্যই এই রং ব্যবহার করা হয়। এদিকে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের মালিক সংস্থা ভিএসআর ভেঞ্চারসের অতীত নিরাপত্তা রেকর্ড নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। দিল্লি-ভিত্তিক এই সংস্থার একটি বিমান ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে মুম্বই বিমানবন্দরেও দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল বলে জানা গেছে। ফলে সংস্থাটির রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা এবং অপারেশনাল প্রক্রিয়া নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন-নিথর পাহাড়ের বুকে চূর্ণ অজিত পওয়ারের বিমান! মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রীসহ ৬ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু
প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীরা কারিগরি ত্রুটি, আবহাওয়াজনিত সমস্যা অথবা পাইলটের ত্রুটি এই তিনটি দিকই গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছেন। প্রায় ৯,৭৫২ কিলোগ্রাম ওজনের এই চার্টার্ড বিমানটি কেন অবতরণের সময় নিয়ন্ত্রণ হারাল, তার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে ব্ল্যাক বক্সের তথ্য বিশ্লেষণের পরই। দেশজুড়ে শোকের আবহে এখন সকলের নজর সেই রিপোর্টের দিকেই।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us