/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/25/bardhaman-sarbamangala-mandir-nabanna-utsav-tradition-2025-11-25-14-52-37.jpg)
নতুন ধান ঘরে তোলার পর রাঢ়বঙ্গের কৃষিজীবী মানুষ ঘটা করে পালন করেন নবান্ন উৎসব
নতুন ধান ঘরে তোলার পর রাঢ়বঙ্গের কৃষিজীবী মানুষ ঘটা করে পালন করেন নবান্ন উৎসব।রাজ্যের 'শস্যগোলা' হিসাবে পরিচিত পূর্ব বর্ধমান জেলার বাসিন্দারা তাঁদের জমি থেকে তোলা নতুন
অন্ন প্রথম বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলাকে উৎসর্গ করেন। সর্বমঙ্গলা মায়ের মন্দিরে হওয়া নবান্নের সেই পুজো পাঠের মধ্য দিয়েই সূচনা হয় নবান্ন উৎসবের। বহুকাল পূর্বে বর্ধমানের রাজা তেজচাঁদের আমল থেকে শুরু হওয়া এই রীতি আজও চলছে।
আরও পড়ুন- পুলিশের মঞ্চে ‘মমতা চাই’ ধ্বনি! শুভেন্দুর বিস্ফোরক ভিডিও প্রকাশে তোলপাড় রাজ্য
বর্ধমান সহ রাঢ়বঙ্গের অন্যতম তীর্থস্থান সর্বমঙ্গলা মন্দির। এখানে দেবী সর্বমঙ্গলা রূপে পূজিতা হন। যখন এই মন্দির প্রতিষ্ঠা হয়নি তখন প্রচারিতও হয়নি দেবীর মাহাত্ম্য। কথিত আছে জেলেরা মাছ ধরে ফেরার পথে এই মূর্তির উপরেই গুগলি,শামুক ভাঙতেন। তখন মূর্তিটির বিষয়ে তাঁদের মনে তেমন কোন প্রশ্নও জাগেনি। তবে এই খবর রাজা তেজচাঁদর কানে যায়। তিনি মূর্তিটি উদ্ধার করেন এবং মন্দির গড়ে সেখানে দেবীকে প্রতিষ্ঠা করেন। সেই থেকেই সর্বমঙ্গলাদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারিত হয়। স্বয়ং রামকৃষ্ণও দেবও মন্দিরে এসেছেন বলে কথিত আছে।
আরও পড়ুন- Mahakal Temple: মমতার ঘোষণা বাস্তবায়ন, মহাকাল মন্দির তৈরিতে জমি বরাদ্দ রাজ্য মন্ত্রিসভার
মন্দির ট্রাস্টের সম্পাদক সঞ্জয় ঘোষ জানান, নতুন আমন ধান ঘরে তোলার পর রাঢ়বঙ্গের চাষীরা যে বিশেষ পুজোপাঠ ও উৎসবে মাতোয়ারা হন তার নামই ’নবান্ন,। "নবান্ন" শব্দের অর্থ "নতুন অন্ন"।ন বান্ন উৎসব হল নতুন আমন ধান কাটা ঝাড়অর পর সেই ধান থেকে প্রস্তুত চাল প্রথমে দেবতাকে অর্পণ। তারপর সেই চাল প্রথম রান্না উপলক্ষে আয়োজিত উৎসবই নবান্ন উৎসব। সর্বমঙ্গলা মায়ের মন্দিরে নবান্ন উৎসব পালিত হওয়ার সাথে সাথেই গোটা রাঢ়বঙ্গে নবান্নের সূচনা হয়ে যায় ।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us