'মন্দির উদ্বোধনেই দায়িত্ব শেষ'? বেলডাঙার পরিস্থিতি নিয়ে মমতাকে তুলোধোনা অধীরের

কংগ্রেস নেতার আরও অভিযোগ, "বাইরে গিয়ে বাংলার মানুষ আক্রান্ত হলে এখন সরকার তখন কুমিরের কান্না কাঁদে। তারপর এককালীন টাকা ও চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে। অথচ সমস্যার সমাধানে কোন রকমের কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না"।

কংগ্রেস নেতার আরও অভিযোগ, "বাইরে গিয়ে বাংলার মানুষ আক্রান্ত হলে এখন সরকার তখন কুমিরের কান্না কাঁদে। তারপর এককালীন টাকা ও চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে। অথচ সমস্যার সমাধানে কোন রকমের কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না"।

author-image
IE Bangla Web Desk
New Update
Adhir Ranjan Chowdhury  ,SIR controversy West Bengal  ,Special Intensive Revision SIR  ,Congress protest against SIR  ,Trinamool Congress SIR issue  ,Adhir Chowdhury press conference  ,Rahul Gandhi Congress court case,  West Bengal election commission news  ,TMC vs Congress political clash,  Berhampore former MP Adhir Chowdhury,অধীর রঞ্জন চৌধুরী,  এসআইআর বিতর্ক  ,স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন , এসআইআর বিরোধিতা কংগ্রেস,  তৃণমূল কংগ্রেস এসআইআর  ,অধীর চৌধুরীর সাংবাদিক বৈঠক  ,রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস  ,পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন কমিশন,  তৃণমূল বনাম কংগ্রেস , বহরমপুর প্রাক্তন সাংসদ অধীর

Adhir Ranjan Chowdhury: প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরী।

রণক্ষেত্র বেলডাঙা! অবশেষে পুলিশি হস্তক্ষেপে সচল হলো ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক। শুক্রবারের পর শনিবারও দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। তবে এদিন দুপুরে ‘ফুল অ্যাকশন’ মোডে নামে পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ সুপার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ (RAF) লাঠিচার্জ করে জাতীয় সড়কের অবরোধ তুলে দেয়। যদিও সড়কপথ মুক্ত হলেও রেল পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে ব্যাপক ভাঙচুরের জেরে। এদিকে আজকের বেলডাঙ্গার অশান্তি নিয়ে রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ ও কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। 

Advertisment

Beldanga Violence: ‘অনেক ধৈর্য ধরেছি, আর নয়’, রণক্ষেত্র বেলডাঙায় ‘ফুল অ্যাকশন’ মোডে পুলিশ, বাড়ি থেকে তুলে আনার হুঁশিয়ারি

শনিবার সকাল থেকেই বেলডাঙার বড়ুয়া মোড় সংলগ্ন এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। বিক্ষোভকারীরা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে এবং বেশ কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুপুরে বিশাল বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে যান পুলিশ সুপার। অভিযোগ, পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে তাদের লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছুড়তে শুরু করে উত্তেজিত জনতা। পালটা জবাবে পুলিশও বেধড়ক লাঠিচার্জ শুরু করে। বেশ কিছুক্ষণ খণ্ডযুদ্ধের পর অবশেষে ছত্রভঙ্গ হয় জনতা। এদিকে গতকালের পর আজকের অশান্তি নিয়ে অধীর চৌধুরী  বলেন, "বর্তমানে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও আক্রোশ ক্রমেই বাড়ছে। ভিনরাজ্যে কাজে গিয়ে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর হামলার ঘটনা ঘটলে স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের রাগ ও অসন্তোষ প্রকাশ পাবে। তবে হামলার প্রতিবাদে যে পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, তাতেও সাধারণ মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন"।

Beldanga Violence: টানা দ্বিতীয় দিন রণক্ষেত্র বেলডাঙা, এনএইচ-১২ অবরুদ্ধ! গাড়ি ভাঙচুর-সাংবাদিক নিগ্রহে চরম অরাজকতা

অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যুতে রাজ্য সরকার দীর্ঘদিন ধরেই নীরব ভূমিকা পালন করে চলেছে। কোভিড অতিমারির সময় থেকেই তিনি এই বিষয়ে বারবার দাবি জানিয়ে আসছেন। তাঁর মতে, সব রাজ্যের রাজধানীতে অবিলম্বে একজন করে নোডাল অফিসার নিয়োগ করা উচিত রাজ্যের, যিনি পরিযায়ী শ্রমিকদের ভালো-মন্দ দেখভালের দায়িত্ব নেবেন। পরিযায়ী শ্রমিকদের উপার্জনের অর্থেই গ্রামগঞ্জের স্থানীয় অর্থনীতি চাঙ্গা থাকে এবং তারই জেরে বাংলার সামগ্রিক অর্থনীতি শক্তিশালী হয় বলে তিনি দাবি করেন।

কংগ্রেস নেতার আরও বক্তব্য," রাজ্য সরকারের দায়িত্ব পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য আলাদা দফতর খোলা এবং তাঁদের জন্য একটি ইউনিক আইডেন্টিটি কার্ড চালু করা। পাশাপাশি প্রশাসনিক স্তরে ভিনরাজ্যগুলির সঙ্গে নিয়মিত আলোচনারও প্রয়োজন রয়েছে। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, অন্য রাজ্যে ভোট করতে রাজ্যের নেতারা যেতে পারলেও, পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতে সরকার যায় না"। 

West Bengal News Live: ইতিহাস গড়ল মালদা! দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের যাত্রা শুরু প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে

কংগ্রেস নেতার আরও অভিযোগ, "বাইরে গিয়ে বাংলার মানুষ আক্রান্ত হলে এখন  সরকার তখন কুমিরের কান্না কাঁদে। তারপর এককালীন টাকা ও চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে। অথচ সমস্যার সমাধানে কোন রকমের কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না"। রাজ্যের মানুষের উপর অন্য রাজ্যে হেনস্থার ঘটনা ঘটলে তা রাজ্য সরকারের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে বলে তিনি মনে করেন। 

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, পরিযায়ী শ্রমিকরা যখন বাংলায় ফিরে আসবেন, তখন রাজ্য সরকার কি তাঁদের নিয়মিত রোজগারের ব্যবস্থা করতে পারবে? অধীর চৌধুরীর কথায়, শুধুমাত্র মন্দির উদ্বোধন করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। “রুটি নেই, রুজি নেই” এই বাস্তব সমস্যার দিকেই সরকারের নজর দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিলাসবহুল ভ্রমণের এক নয়া অধ্যায়, পাবেন বিমানের মত পরিষেবা, বন্দে-ভারত স্লিপারের ভাড়া কত?

adhir choudhury Adhir Ranjan Chowdhuri Beldanga controversy