/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/17/unrest-2026-01-17-15-14-09.jpg)
Beldanga Violence: শনিবার সকাল থেকে নতুন করে অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায়।
Lalgola Train Service: অবশেষে পুলিশি হস্তক্ষেপে সচল হলো ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক। শুক্রবারের পর শনিবারও দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। তবে এদিন দুপুরে ‘ফুল অ্যাকশন’ মোডে নামে পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ সুপার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ (RAF) লাঠিচার্জ করে জাতীয় সড়কের অবরোধ তুলে দেয়। যদিও সড়কপথ মুক্ত হলেও রেল পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে ব্যাপক ভাঙচুরের জেরে।
পুলিশের পালটা মার
শনিবার সকাল থেকেই বেলডাঙার বড়ুয়া মোড় সংলগ্ন এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। বিক্ষোভকারীরা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে এবং বেশ কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুপুরে বিশাল বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে যান পুলিশ সুপার। অভিযোগ, পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে তাদের লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছুড়তে শুরু করে উত্তেজিত জনতা। পালটা জবাবে পুলিশও বেধড়ক লাঠিচার্জ শুরু করে। বেশ কিছুক্ষণ খণ্ডযুদ্ধের পর অবশেষে ছত্রভঙ্গ হয় জনতা।
মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার সানি রাজ সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে শান্তিপূর্ণভাবে অবরোধ তোলার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা আমাদের কথায় কর্ণপাত করেননি। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয়েছি। এই মুহূর্তে এলাকায় কোনো পথ অবরোধ নেই।”
রেল স্টেশনে তাণ্ডব ও পরিষেবা বিপর্যয়
জাতীয় সড়ক মুক্ত হলেও রেলপথে দুর্ভোগ কমেনি। বিক্ষোভকারীরা এদিন বেলডাঙা স্টেশনে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। স্টেশন লাগোয়া রেলগেট এবং সিগন্যাল ব্যবস্থা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে। রেল সূত্রে খবর, পরিস্থিতি সামাল দিতে কলকাতা থেকে আরপিএফ (RPF)-এর বিশাল বাহিনী বেলডাঙায় পাঠানো হচ্ছে।
গুজব ও নতুন করে উত্তেজনা
গতকাল ঝাড়খন্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অশান্তির সূত্রপাত হয়েছিল। আজ আগুনে ঘি ঢালে নতুন এক ঘটনা। অভিযোগ ওঠে, বিহারে কর্মরত মুর্শিদাবাদের আরেক পরিযায়ী শ্রমিককে মারধর করা হয়েছে। আহত ওই যুবককে আজ বেলডাঙায় নিয়ে আসা হলে গুজব রটে যায় যে তিনি মারা গিয়েছেন। যদিও সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই গুজবের জেরেই নতুন করে হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। শুক্রবারের মতো আজও বেলডাঙায় খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হয়েছে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের। আপাতত এলাকা থমথমে, চলছে পুলিশি টহল।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us