/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/17/beldanga-2026-01-17-14-32-28.jpg)
Beldanga Violence: শুক্রবারের পর শনিবারেও অশান্ত বেলডাঙা।
Murshidabad Police Action: শনিবার সকাল থেকে জাতীয় সড়ক ও রেললাইন জুড়ে চলা নজিরবিহীন তাণ্ডবের পর অবশেষে দুপুরে কড়া পদক্ষেপ নিল প্রশাসন। বেলডাঙার অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শনিবার দুপুরে ‘ফুল অ্যাকশন’ মোডে নামল পুলিশ। লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি পুলিশ সুপারের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, “অনেকক্ষণ ধৈর্য ধরেছি, এবার আর কাউকে রেয়াত করা হবে না।”
সিসিটিভি দেখে ধরপাকড়ের নির্দেশ
পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আজ বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ (RAF) নিয়ে ঘটনাস্থলে নামেন পুলিশ সুপার। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের চিহ্নিত করা হবে। তারা বাড়িতে লুকিয়ে থাকলেও সেখান থেকে তুলে আনা হবে। গতরাতেও বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে, আজও আটক করা হয়েছে।” তিনি স্বীকার করেন, পুলিশ প্রথমে ধৈর্য ধরলেও পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় কঠোর হতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন।
কেন ফের উত্তপ্ত বেলডাঙা?
ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে পিটিয়ে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে গতকাল থেকেই উত্তপ্ত ছিল বেলডাঙা। আজ, শনিবার সকালে পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন বিহারে মারধরের শিকার আরেক আহত পরিযায়ী শ্রমিককে বেলডাঙায় ফিরিয়ে আনা হয়। তাঁকে চিকিৎসার জন্য মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হলেও, ক্ষোভে ফেটে পড়ে জনতা।
হুমায়ুনের আবেদনেও কাজ হয়নি
সকালে বড়ুয়া মোড় সংলগ্ন এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একাধিক বাসে ও লরিতে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। খবর পেয়ে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরোধ তোলার আবেদন জানালেও তাতে কর্ণপাত করেনি কেউ। উল্টে জাতীয় সড়ক আটকে তাণ্ডব চলতে থাকে।
আরও পড়ুন-একমাত্র স্টেশন, যেখান থেকে সারা দেশের ট্রেন পাবেন, জানেন সেটি কোনটি?
আক্রান্ত সংবাদমাধ্যম
গতকাল এবং আজ, দু’দিন ধরেই বেলডাঙায় সংবাদমাধ্যমের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের হাতে নিগৃহীত হতে হয়েছে সাংবাদিকদের। এই চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির পরই দুপুরে লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। আপাতত এলাকা থমথমে, চলছে টহলদারি।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us