/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/27/bdo-2026-01-27-13-41-45.jpg)
SIR Notice: এসআইআর-এর নোটিশ পেয়েছেন বিডিও।
সাধারণ মানুষ তো বটেই, ভোটার তালিকা যাচাইয়ের কড়াকড়ি থেকে বাদ গেলেন না খোদ প্রশাসনিক আধিকারিকও। এবার নির্বাচন কমিশনের ‘এসআইআর’ (SIR) নোটিস পেলেন ভরতপুর-২ ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (BDO) অনির্বাণ সেনগুপ্ত। তাঁর বাবার নথিপত্র নিয়ে তাঁকে কমিশনের কাছে হাজিরা দেওয়ার বা তথ্যাদি পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক সূত্রে খবর, নথিপত্রের সামান্য গরমিলের কারণেই এই নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অবশ্য বিডিও নিজেই ধোঁয়াশা পরিষ্কার করেছেন। এ প্রসঙ্গে ভরতপুর-২ ব্লকের বিডিও অনির্বাণ সেনগুপ্ত জানান, তাঁর এবং তাঁর বাবার সমস্ত নথিতেই নামের সঙ্গে ‘মিডল নেম’ বা মধ্যনাম রয়েছে। কিন্তু ২০০২ সালের একটি নথিতে ভুলবশত তাঁর বাবার নামের মধ্যনামটি বাদ পড়ে গিয়েছিল। সেই একটি তথ্যের অসামঞ্জস্যের কারণেই নির্বাচন কমিশনের স্ক্রুটিনিতে বিষয়টি উঠে আসে এবং নিয়মমাফিক এসআইআর নোটিস পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন- Madhyamik 2026: মাধ্যমিকে জীবন বিজ্ঞান পরীক্ষায় ভালো ফল করতে চাইলে পড়ুন এই সাজেশন
বিডিও অনির্বাণ সেনগুপ্ত সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে বলেন, “এসআইআর নোটিস নিয়ে অযথা ভয় বা আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। দেশের ১২টি রাজ্যে এই প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশন আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ যাবে না।” তাঁর নিজের উদাহরণ দিয়ে তিনি বোঝান, এটি একটি সাধারণ যাচাই প্রক্রিয়া মাত্র।
আরও পড়ুন-রাজীবের পর এবার কে? পরবর্তী ডিজি নিয়োগে নয়া জট, ক্যাটের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে আদালতে UPSC
এদিন শুনানির কাজের মাঝে বিডিও-র মানবিক রূপও দেখা যায়। হেয়ারিং চলাকালীন এক ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিষয়টি নজরে আসতেই তৎক্ষণাৎ নিজের কাজ থামিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন বিডিও সাহেব। অসুস্থ ব্যক্তিকে বসানো এবং জল দেওয়ার ব্যবস্থা করেন তিনি। তিনি জানান, মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, তার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বতোভাবে সাহায্য করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন-চিনের ঘুম হারাম! ইউরোপের সঙ্গে হাত মেলাল ভারত, নয়া চুক্তিতে এমন কী আছে যা বিশ্বকে তাক লাগাচ্ছে?


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us