/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/16/bihar-mla-benefits-after-2025-election-nda-victory-2025-11-16-17-01-37.jpg)
দশবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে নীতীশ, জানেন কত বেতন পান 'সুশাসন বাবু'?
Nitish Kumar Salary: ২০২৫ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ-র ঐতিহাসিক জয়ের পর নতুন সরকারের বিধায়করা কী কী সুবিধা পাবেন তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহলের শেষ নেই। এনডিএ মোট ২০২টি আসন জিতে একচ্ছত্র ক্ষমতায় এসেছে, যেখানে মহাজোটের আসন নেমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৫-এ। নতুন বিধায়কদের জন্য শপথ গ্রহণের পর থেকেই বিভিন্ন সরকারি সুবিধা কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন-বিয়ের মরশুমে মাথায় হাত! ৩,০৬০ টাকা বাড়ল সোনার দাম, রূপার দরও আকাশছোঁয়া
নিয়ম অনুযায়ী, ভারতের প্রতিটি রাজ্য তার বিধায়কদের বেতন নিজেরাই নির্ধারণ করে। বিহারে বর্তমানে একজন বিধায়ক মাসিক প্রায় ৫০ হাজার টাকা মূল বেতন পান। তবে উত্তর প্রদেশে এই বেতন ৩৫ হাজার ও তেলেঙ্গানায় প্রায় ২০ হাজার টাকা। মূল বেতনের পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতা যুক্ত হওয়ায় বিধায়কদের প্রকৃত মাসিক আয় অনেকটাই বৃদ্ধি পায়। বিহারের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার প্রতি মাসে ২.১৫ লাখ টাকা বেতন পান। সেই সঙ্গে অন্যান্য ভাতাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আরও পড়ুন-ভোটের আগে বিরাট বিপাকে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র, CBI-কে চার্জশিট জমা দেওয়ার নির্দেশ
এর পাশাপাশি, নির্বাচনী এলাকার কাজকর্ম, জনগণের সঙ্গে সাক্ষাৎ, ভ্রমণ এবং স্থানীয় কার্যালয় পরিচালনার জন্য বিধায়কদের আলাদা নির্বাচনী ভাতা দেওয়া হয়, যা অনেক রাজ্যে মূল বেতনের থেকেও বেশি হয়ে থাকে।
শপথ গ্রহণের পর সরকারি বাসস্থানের ব্যবস্থাও করা হয়। বিধানসভার নিকটবর্তী বিধায়ক আবাসন, ফ্ল্যাট বা বাংলো তাদের ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ থাকে। কেউ সরকারি বাসস্থানে না উঠতে চাইলে আবাসন ভাতা পাওয়ার সুযোগও রয়েছে। এই বাসস্থানগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের সমস্ত দায়িত্ব সরকারই বহন করে।
আরও পড়ুন- দিল্লি বিস্ফোরণস্থল থেকে উদ্ধার কার্তুজ, ২০০ চিকিৎসক তদন্তকারীদের র্যাডারে
এছাড়া বিধানসভা অধিবেশন, কমিটির বৈঠক ও সরকারি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য বিধায়কদের দৈনিক ভাতা প্রদান করা হয়। ভ্রমণ সংক্রান্ত সুবিধার মধ্যে রয়েছে ট্রাভেল অ্যালাউন্স, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে দেশের অভ্যন্তরে বিনামূল্যে রেলযাত্রার সুযোগও থাকে। কিছু রাজ্যে বিধায়কের পরিবারের নির্দিষ্ট সদস্যরাও এই সুবিধা পান।
বিধায়ক ও তাঁদের পরিবারের জন্য সরকারি হাসপাতালে এবং বেশ কিছু বেসরকারি তালিকাভুক্ত হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা রয়েছে। অফিস পরিচালনা, টেলিফোন বিল, স্টাফের বেতনসহ বিভিন্ন খরচের জন্যও আলাদা ভাতা দেওয়া হয়।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সুবিধাগুলোর মধ্যে একটি হল পেনশন। মাত্র একটি পূর্ণ মেয়াদ সম্পন্ন করলেই একজন বিধায়ক আজীবন পেনশনের জন্য যোগ্য হয়ে যান। একাধিক মেয়াদ থাকলে পেনশনের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায়।
আরও পড়ুন- রাজভবনে মজুত 'বোমা, গুলি, বন্দুক', বিস্ফোরক মন্তব্যে বিরাট বিপাকে কল্যান
তবে এই সুবিধাগুলো নির্বাচনের ফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয় না। আইনি নিয়ম অনুসারে, বিধানসভায় শপথ গ্রহণের পর থেকেই বেতন, ভাতা, সরকারি বাসস্থান ও অন্যান্য সব সুযোগ-সুবিধা তাঁদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us