/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/19/bihar-oath-ceremony-2025-astrology-impact-2025-11-19-10-53-17.jpg)
২০ নভেম্বর নীতিশ কুমারের শপথগ্রহণ
Nitish Kumar Oath Ceremony 2025: বিহারে নতুন সরকারের শপথগ্রহণকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মহলে যেমন আলোড়ন শুরু হয়ে গিয়েছে, তেমনই জ্যোতিষশাস্ত্রীয় ‘মুহূর্ত’ নিয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে। ২০ নভেম্বর নীতিশ কুমারের শপথ গ্রহণের সময়টি বিহারের নতুন সরকার, এনডিএ-জোট এবং বিরোধী জোটের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর কতটা প্রভাব ফেলতে পারে,তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে।
ভারতীয় রাজনীতিতে ক্ষমতার আসল ভিত্তি থাকে সংখ্যাগরিষ্ঠতায়, কিন্তু কোনও সরকারের স্থায়িত্ব অনেক সময় নির্ভর করে শপথগ্রহণের সুনির্দিষ্ট মুহূর্তের ওপর। এমন বিশ্বাস বহু পুরনো। প্রাচীন রাজদরবার থেকে আজকের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায়, ক্ষমতা অধিগ্রহণের বা শপথ নেওয়ার শুভ সময় নিয়ে চলে চুলচেরা হিসাবনিকাশ। জ্যোতিষশাস্ত্রীয় মতে, কোনও রাষ্ট্র বা সরকারের শপথের মুহূর্ত থেকেই প্রশাসনের ভবিষ্যতের ভিত্তি রচনা হয়ে যায়।
নীতিশ কুমারের বিগত শপথগ্রহণগুলোই তার প্রমাণ। ২০১০ সালের মেয়াদ তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল একটি ভারসাম্যপূর্ণ সময়ে শপথ গ্রহণের কারণে বলেই মত জ্যোতিষীদের । আবার ২০১৭ সালে গ্রহ-নক্ষত্রের অস্থির অবস্থার মধ্যে শপথ নেওয়ায় জোট রাজনীতিতে তীব্র পরিবর্তন আসে এবং দেড় বছরের মধ্যেই রাজনৈতিক মোড় ঘুরে যায়। ফলে শপথের সময় এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে এক নিবিড় সম্পর্ক।
২০ নভেম্বর নীতীশ কুমারের শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে পাটনা থেকে দিল্লি পর্যন্ত তুঙ্গে উত্তেজনা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, এনডিএ শীর্ষ নেতৃত্ব এবং বিরোধী শিবির সকলেরই নজর এখন এই শপথগ্রহণের দিকে। জ্যোতিষশাস্ত্রের হিসাবে যদি শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার, অমাবস্যা-পরবর্তী শুভ লগ্নে বা অনুকূল নক্ষত্রে হয়, তাহলে সরকার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত পায়। বিশেষত সূর্য ও বৃহস্পতির শক্তিশালী অবস্থান সরকারকে স্থিতিশীলতার সঙ্গে পরিচালনা করে। আর যদি শপথগ্রহণ এমন সময়ে হয় যখন চন্দ্র দুর্বল, নক্ষত্র প্রতিকূল বা রাহু-কেতুর প্রভাব সক্রিয়, তাহলে শাসনের সূচনা থেকেই জোটের ভিতরে দ্বন্দ্ব, ভুল বোঝাবুঝি কিংবা রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে।
এই শুভ বা অশুভ সময় বিরোধী দলের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। যদি সরকার সঠিন সময়ে শপথ নেয় তবে বিরোধীদের প্রভাব অনেকটাই কমে যায়। কিন্তু যদি সময় অনুকূল না হয়, বিরোধীরা প্রথম কয়েক মাসেই সরকারকে চাপে ফেলতে পারে।
সবশেষে, কোনও সরকারের সাফল্য নির্ভর করে নীতি, জনসমর্থন ও অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের ওপর। তবে শপথগ্রহণের মুহূর্ত যে সামগ্রিক প্রবাহকে প্রভাবিত করে—রাজনৈতিক ইতিহাস ও জ্যোতিষশাস্ত্র সেই মিলিত বার্তাই দিচ্ছে। বিহারের নতুন অধ্যায় কোন পথে এগোবে, তার ইঙ্গিত মিলবে ২০ নভেম্বরের শপথমুহূর্তেই।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us