/indian-express-bangla/media/media_files/2025/03/07/RzUV0KvM6InjmtCVoYGV.jpg)
TMC: প্রতীকী ছবি।
NDA victory Bihar: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ-র ঐতিহাসিক সাফল্যে গেরুয়া শিবিরে উৎসবের আবহ। দিনের শেষে স্পষ্ট—বিহারে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফের ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট। মোট ২৪৩ আসনের মধ্যে এনডিএ এগিয়ে রয়েছে ২০০-রও বেশি আসনে, যা ইতিমধ্যেই উত্তর ভারতীয় রাজ্যটিতে রাজনৈতিক সমীকরণ পাল্টে দিয়েছে।
এই বিপুল জয়ের ঢেউ পৌঁছে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গেও। রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব এখন থেকেই ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে ‘বাংলায় গেরুয়া সুনামি’র স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। বিহারের ফলকে সামনে রেখে তারা দাবি করছে—২০২৬-এ বাংলাতেও মানুষের মনের পরিবর্তন ঘটবে, আর রাজ্যেও বিজেপিই বিকল্প হিসেবে উঠে আসবে।
আরও পড়ুন- Arjun Singh: বিহারে ফের NDA, '২৬-এ বাংলাতেও গেরুয়া সুনামি', প্রত্যয়ী অর্জুন সিং
তবে বিহারের ফল নিয়ে বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থান স্পষ্ট। রাজ্যের শাসক দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন—বিহার ও বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে একসঙ্গে দেখা যাবে না।
কুণাল বলেন, “বাংলার মাটি আলাদা। বিহারের ভোটের প্রভাব বাংলায় পড়বে না। বাংলায় উন্নয়ন, ঐক্য, সম্প্রীতি, অধিকার ও আত্মসম্মান—এই সবই বড় ফ্যাক্টর। বিজেপি ও কেন্দ্র নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে যতই চক্রান্ত করুক, বাংলার মানুষ সবকিছুর জবাব দেবে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, বিজেপি আগামী নির্বাচনে আবারও কেন্দ্রীয় এজেন্সি ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করবে। তবে এর বিরুদ্ধে তৃণমূল রাস্তায় আন্দোলন চালিয়ে যাবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
বিহারের জয়ের প্রসঙ্গ তুলেও বিজেপিকে কটাক্ষ করেন কুণাল ঘোষ। তাঁর কথায়, “বিহার দেখিয়ে বাংলাকে হুমকি দিচ্ছেন বিজেপি নেতারা। এতে সময় নষ্ট ছাড়া কিছুই হবে না। বাংলার মানুষের আত্মসম্মানকে আঘাত করে, বাইরের রাজ্যের উদাহরণ দেখিয়ে ভোট পাওয়া যায় না। বাংলায় শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নেই মানুষ ভরসা রাখেন।”
আরও পড়ুন- Bihar Election Result 2025: বিহারে কেন ডুবল মহাগঠবন্ধন? কংগ্রেসের ভরাডুবির নেপথ্যে মূলত এই ৩ কারণ
তিনি আরও দাবি করেন—বিহারসহ বিভিন্ন রাজ্যও বাংলার উন্নয়ন মডেল অনুসরণ করেছে। “বাংলার মানুষ বাংলার স্বার্থেই তৃণমূলকে সমর্থন করেন এবং করবেন,” বলেন কুণাল।
সব মিলিয়ে, বিহারের মেগা জয়ের পর বিজেপি যেখানে ২০২৬-এর জন্য আরও উজ্জীবিত, সেখানে তৃণমূলের বার্তা স্পষ্ট—বাংলার রাজনীতি বাংলার বাস্তবতায়ই নির্ধারিত হবে, এবং সেই জায়গায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বই মানুষের প্রথম পছন্দ।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us