/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/12/bioterror-plot-uncovered-in-gujarat-three-arrested-linked-to-isis-kp-2025-11-12-16-59-26.jpg)
পাকিস্তানের ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র ফাঁস
দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্তে নেমে দেশে প্রথমবারের মতো জৈব সন্ত্রাসবাদের চেষ্টার ঘটনা সামনে এসেছে। আহমেদাবাদে অস্ত্র কেনার সূত্র ধরে গুজরাট এটিএস একটি বিপজ্জনক জৈব সন্ত্রাসের ষড়যন্ত্রের হদিশ পেয়েছে, যার মূলে রয়েছে পাকিস্তানে। এই ঘটনার পর থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা জোরদার করেছে নিরাপত্তা ব্যাবস্থা। গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান ও তেলেঙ্গানা এটিএসের যৌথ দল এখন এই মামলার তদন্ত শুরু করেছে।
রবিবার গুজরাট এটিএস তিন সন্দেহভাজন ডঃ আহমেদ সাঈদ, আজাদ শেখ ও মহম্মদ সুহেল সেলিম খানকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় বিপজ্জনক অস্ত্র,২৭ রাউন্ড কার্তুজ এবং চার লিটার বিপজ্জনক রাসায়নিক উদ্ধার করা হয়েছে, যা প্রাণঘাতী “রাইসিন” বিষ তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। তদন্তে জানা গিয়েছে, এই অস্ত্র ও রাসায়নিক পাকিস্তান থেকে ড্রোনের মাধ্যমে রাজস্থান সীমান্তে পাঠানো হয়েছিল। তিন অভিযুক্তই পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন আইএসআইএস-কেপি (Islamic State of Khorasan Province)-এর জন্য কাজ করছিল বলে জানা গেছে।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন ডঃ আহমেদ সাঈদ অনলাইনে পাক হ্যান্ডলার আবু খালেজার কাছ থেকে ক্যাস্টর বীজ থেকে রিসিন তৈরির প্রশিক্ষণ নেন। রাইসিন এক ধরনের মারাত্মক জৈবিক বিষ, যা রঙ ও গন্ধহীন এবং খাবার বা পানীয়ের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু ঘটাতে পারে। এটিএসের তল্লাশিতে আহমেদের হায়দ্রাবাদের রাজেন্দ্রনগরের বাড়ি থেকে প্রচুর বিষাক্ত রাসায়নিক ও সন্দেহজনক উপকরণ উদ্ধার হয়েছে।
তিন অভিযুক্তের মোবাইল ফোন থেকে উদ্ধার হওয়া ২৫০-টিরও বেশি ছবি ও ভিডিওতে একাধিক জনবহুল এলাকার অবস্থান চিহ্নিত হয়েছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলির অনুমান, এই এলাকাগুলিতে বিষ ছড়িয়ে ব্যাপক সন্ত্রাস ছড়ানোর পরিকল্পনা ছিল। এমনকি কাশ্মীরি আপেলের আড়ালে বিস্ফোরক পাচারেরও ষড়যন্ত্র চলছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান ও তেলেঙ্গানা এটিএস যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে, যাতে পাক হ্যান্ডলাররা কীভাবে ভারতের মাটিতে এই জৈব সন্ত্রাস নেটওয়ার্ক তৈরি করেছিল, তা জানা যায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, রাইসিন পৃথিবীর সবচেয়ে মারাত্মক বিষগুলির একটি — মাত্র ৫ মিলিগ্রামই একজন মানুষকে মারার জন্য যথেষ্ট।
এই ঘটনার পর কেন্দ্রীয় সরকার এটিকে জাতীয় নিরাপত্তার গুরুতর হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সংস্থাকে সতর্ক করেছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান থেকেই এই চক্রান্ত পরিচালিত হচ্ছিল এবং ভারতে জৈব সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।
চিকিৎসার আড়ালে ভারতে জৈশ-এর মহিলা শাখার নেতৃত্বে শাহিন? বোনের গ্রেফতারিতে দাদা কী বলছেন জানেন?
“খাঁটি সোনা গলে না, অসৎ নই, আমি নির্দোষ”, ফের রাজনীতিতে ফিরতে মুখিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়
কলকাতার দোরগোড়ায় অপূর্ব-অসাধারণ নতুন এক সমুদ্র সৈকত আবিষ্কার! উইকেন্ড ট্রিপে বাম্পার হিট!
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us