পুলিশের ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল করে চরম বিপাকে, পরিণতি জানলে চমকে উঠবেন

বর্তমানে ধৃত ব্যক্তি আদালতের নির্দেশে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এনিয়ে ফের উচ্চ আদালতে দ্বারস্থ হওয়ার হুমকি দিয়েছেন বীরভূম জেলা লরি মালিক সমিতি।

বর্তমানে ধৃত ব্যক্তি আদালতের নির্দেশে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এনিয়ে ফের উচ্চ আদালতে দ্বারস্থ হওয়ার হুমকি দিয়েছেন বীরভূম জেলা লরি মালিক সমিতি।

author-image
Ashis Kumar Mondal
New Update
Birbhum, Rampurhat, Mohammadbazar, truck owner, lorry, police, bribery, mobile video, viral, fake case, arrest, threats, West Bengal, Anas Ahmed, high court, suspension, IC Prasenjit Ghosh, corruption allegation

পুলিশের ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল করে চরম বিপাকে, পরিণতি জানলে চমকে উঠবেন

পুলিশের হাত পেতে ঘুষ নেওয়ার ভিডিও মোবাইলে তুলে ভাইরাল করার অপরাধে এক ব্যক্তিকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের অভিযোগ উঠেছে বীরভূমের রামপুরহাট থানার বিরুদ্ধে। 

Advertisment

বর্তমানে ধৃত ব্যক্তি আদালতের নির্দেশে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এনিয়ে ফের উচ্চ আদালতে দ্বারস্থ হওয়ার হুমকি দিয়েছেন বীরভূম জেলা লরি মালিক সমিতি। 

লরির ব্যবসায়ীদের দাবি, ঘটনার সূত্রপাত সেপ্টেম্বর মাসে। ওই মাসে বীরভূমের মহম্মদবাজার থানা এলাকার বাসিন্দা এমদাদুল হোসেন অর্থলগ্নী সংস্থার কাছ থেকে দুটি লরি কেনেন। ওই মাসেই ট্রান্সপোর্টের মাধ্যমে বালি বোঝাই করে জেলার বাইরে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পুলিশ সেই লরি দুটি আটক করে এক লক্ষ ৪০ হাজার টাকা দাবি করে বলে ব্যবসায়ীর দাবি। 

এমদাদুল হোসেন মহম্মদবাজার থানায় সেই টাকা দিয়ে গোপনে লেনদেন মোবাইল বন্দি করে সেটা সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। অভিযোগ তারপর থেকেই পুলিশ বিভিন্ন জনকে দিয়ে হুমকি দিতে শুরু করে। 

এনিয়ে ১৪ অক্টোবর বীরভূম লরি মালিক সমিতির সম্পাদক এবং ফেডারেশন অফ ওয়েস্টবেঙ্গলের যুগ্ম সম্পাদক আনাস আহমেদ সিউড়িতে সাংবাদিক সম্মেলন করে ভিডিও সাংবাদিকদের হাতে তুলে দেন। 

আনাস আহমেদ বলেন, "মহম্মদবাজার থানার ভিতরেই একজন ছিল সিভিল ড্রেসে অন্যজন পুলিশের পোশাকেই ছিলেন। তারা আইসি প্রসেনজিৎ ঘোষের নাম করে টাকা নিয়েছিলেন। আমরা বিষয়টি লিখিত আকারে জেলা শাসক এবং জেলা পুলিশ সুপারকে জানায়। পুলিশ তদন্ত করে দুই পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করে। 

এরপর পুলিশ এমদাদুল এবং আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিতে থাকে। বাধ্য হয়ে আমরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হই। আর এমদাদুলের বিরুদ্ধে পুলিশ বিভিন্ন জনকে দিয়ে সিউড়ি, মহম্মদবাজার এবং রামপুরহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করে। 

সেই অভিযোগকে হাতিয়ার করে পুলিশ বুধবার এমদাদুলকে বালি মাফিয়া, প্রতারকের মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে আদালতে তুলে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। সেই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপালের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। পুলিশের বিরুদ্ধে আমরা ফের উচ্চ আদালতে যাব"।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, আইন আইনের পথে চলবে। উনাদের কিছু বলার থাকলে আদালতে বলবেন।

Birbhum