'তৃণমূলের মদতেই রাজ্যের জনবিন্যাসে বদল', SIR-এর মাঝে বিস্ফোরক অভিযোগে তোলপাড় ফেললেন শুভেন্দু

রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এই তথ্য পরিষ্কার প্রমাণ যে রাজ্য প্রশাসনের সহযোগিতায় সংখ্যালঘু অনুপ্রবেশকারীরা ভোটার তালিকায় ঢুকেছে।”

রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এই তথ্য পরিষ্কার প্রমাণ যে রাজ্য প্রশাসনের সহযোগিতায় সংখ্যালঘু অনুপ্রবেশকারীরা ভোটার তালিকায় ঢুকেছে।”

author-image
IE Bangla Web Desk
New Update
Suvendu Adhikari, Suvendu Adhikari threat call,Pakistan threat calls, Bangladesh threat calls, BJP West Bengal, Trinamool Congress reaction, Arup Chakraborty TMC, Delhi blast, Jaish-e-Mohammed, Bengal politics, NIA raid Murshidabad, Suvendu statement, political controversy West Bengal,শুভেন্দু অধিকারী, পাকিস্তান থেকে হুমকি, বাংলাদেশ থেকে ফোন, তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি, দিল্লি বিস্ফোরণ, জয়েশ-ই-মহম্মদ, মুর্শিদাবাদ এনআইএ অভিযান, অরূপ চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতি, শুভেন্দুর দাবি, হুমকি ফোন, রাজনৈতিক বিতর্ক

Suvendu Adhikari: বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

অনুপ্রবেশের কারণে পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার রূপরেখা বদলে যাচ্ছে। এই অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে নথি জমা দিল বিজেপি। ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন (SIR) চলাকালীন ভোটার তালিকা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের নাম মুছে দেওয়ার দাবিও জানানো হয় বিজেপির তরফে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি-র এক প্রতিনিধি দল ডেপুটি চিফ ইলেকশন কমিশনার জ্ঞানেশ ভরতি এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে প্রায় ৪০ মিনিট বৈঠক করেন।

Advertisment

আরও পড়ুন- জেলায় তৃণমূলের ঘর ভাঙতে 'মারণ কামড়' বিজেপির! শুরু ভোট প্রস্তুতি, ডিসেম্বরেই রাজ্যে আসছেন মোদী

বৈঠক শেষে শুভেন্দু বলেন, “আমরা কমিশনকে জানিয়েছি কীভাবে তৃণমূল সরকারের সক্রিয় সহযোগিতায় অনুপ্রবেশকারীরা ভোটার তালিকায় ঢুকে পড়েছে। বাংলার জনবিন্যাসের চিত্রটা গত কয়েক বছরে বদলে গেছে। ভোটার তালিকা থেকে এদের নাম বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছি।”

Advertisment

বিজেপির জমা দেওয়া নথিতে বলা হয়েছে, ২০০২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে রাজ্যের মোট ভোটারের সংখ্যা বেড়েছে ৮৪.১ শতাংশ। দাবি করা হয়েছে, মুসলিম ভোটারের সংখ্যা ২০০২ সালের ২১.৩২ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬.৩৮ শতাংশে। বিজেপির বক্তব্য, ভোটার তালিকায় এই বৃদ্ধি ‘সংখ্যালঘু অনুপ্রবেশের’ ফল।

নথিতে আরও দাবি, ২০০২ সালে যেখানে ৬টি লোকসভা আসন সংখ্যালঘু-কেন্দ্রিক ছিল (যেখানে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা ৪০ শতাংশের বেশি), ২০২৫ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০। একইভাবে ২০০২ সালে ৪৫টি বিধানসভা কেন্দ্র সংখ্যালঘু কেন্দ্রিক থাকলেও ২০২৫ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৬০।

আরও পড়ুন- তৃণমূলস্তরে ঘাসফুলের মূল উপরে ফেলতে মরিয়া বিজেপি, বঙ্গজয়ের নয়া রণকৌশল কাঁপুনি ধরাবে মমতা-অভিষেককে?

রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এই তথ্য পরিষ্কার প্রমাণ যে রাজ্য প্রশাসনের সহযোগিতায় সংখ্যালঘু অনুপ্রবেশকারীরা ভোটার তালিকায় ঢুকেছে।”রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানান, বিজেপি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ দেওয়া এবং হিন্দু শরণার্থীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুলেছে। পাশাপাশি অভিযোগ করেন, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান এবং হুগলির তিন জেলাশাসক BLOদের থেকে ওটিপি চেয়ে ভোটার তালিকায় বেআইনি সংযোজনের চেষ্টা করেছেন। এই তিন ডিএমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

আরও পড়ুন- 'রাজ্যে ২ কোটি নাম বাদ দিতেই হবে', বিজেপি-কমিশনের যোগসাজশ নিয়ে গর্জে উঠল তৃণমূল

অধিকারীর অভিযোগ, বেশিরভাগ BLO সৎভাবে কাজ করলেও ৬৩ জন BLO তৃণমূলের নির্দেশে বেআইনি কাজ করাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন BLOদের ওপর প্রচুর চাপ। অথচ তাঁর সরকারই ১,০০০ ডেটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগের প্রস্তাবে অনুমোদন দেয়নি। ফলে কমিশনের কাজ আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।” বিজেপির অভিযোগ, রাজ্য সরকার কমিশনের কাজে সহায়তা না করে বরং পুরো প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে।

Suvendu Adhikari