স্ত্রীদের ঘরে বন্দি করে রাখার নিদান বিজেপি নেতা তথা বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য কালীপদ সেনগুপ্তর। তার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করেঅ ভোটের আগে বিজেপিকে নিশানা করে আসরে নেমে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পকে ঘিরে বিজেপি নেতার মন্তব্যে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য কালীপদ সেনগুপ্ত লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধাভোগী মহিলাদের নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, সেই মন্তব্যকে ‘গণতান্ত্রিক সীমা লঙ্ঘন’ বলে আক্রমণ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের তরফে অভিযোগ, এই মন্তব্যের মাধ্যমে মহিলাদের অপমান করা হয়েছে এবং তাঁদের আর্থিক স্বাধীনতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলা হয়েছে।
দার্জিলিং মেলে এসি কামরায় ডাকাতি!
এই ইস্যুতে তৃণমূল নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য তীব্র ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলার লক্ষ লক্ষ মহিলা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন এবং রাজ্যের অর্থনীতিও শক্তিশালী হয়েছে। সেই মহিলাদের নিয়েই বিজেপি নেতা যেভাবে মন্তব্য করেছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়।” তাঁর দাবি, বিজেপি আসলে মহিলাদের ক্ষমতায়ন মানতে পারে না এবং মধ্যযুগীয় মানসিকতা চাপিয়ে দিতে চাইছে।
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আরও বলেন, “বিজেপি কি চায় যে আর্থিকভাবে স্বাধীন হলেই মহিলাদের শাস্তি দেওয়া হবে? এই নারীবিরোধী মানসিকতার জবাব বাংলার মহিলারা ভুলবেন না।” তাঁর হুঁশিয়ারি, আসন্ন নির্বাচনে ব্যালট বাক্সেই বিজেপির এই মনোভাবের উপযুক্ত জবাব দেবে রাজ্যের মহিলারা।
ফের রাজ্যে SIR-এর জেরে মৃত্যু BLO-র!
দাসপুরে বিজেপির রাজ্য কমিটির কালীপদ সেনগুপ্তের 'তালিবানি ফতেয়া'কে কেন্দ্র করে রাজ্য-রাজনীতিতে রীতিমত তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, "লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাওয়া মহিলাদের বন্দি করে রাখতে হবে। তারা যখন তৃণমূলকে ভোট দিতে যাবেন তখন তাদের স্বামীদের তাদেরকে ঘরে বন্দী করে রাখতে হবে। ভোটটা দিতে হবে পদ্মফুলে, জোড়া ফুলে নয়"। বিজেপি নেতার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে জোর তরজা।
তৃণমূলের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে ভিডিও ক্লিপিং পোস্ট করে লেখা হয়েছে," এটাই বিজেপির আসল নারী-বিদ্বেষী রূপ। যারা মুখে ‘নারী শক্তি’র কথা বলে, তারাই আজ মা-বোনেদের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে চায়। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষমতায়নকে ভয় পেয়ে বিজেপি এখন নারীদের ঘরবন্দি করার জঘন্য নিদান দিচ্ছে।মা-বোনেদের অপমান করার স্পর্ধা এরা পায় কোথা থেকে? বিজেপির এই মধ্যযুগীয় বর্বরতার যোগ্য জবাব আগামী নির্বাচনে বাংলার মা-বোনেরাই দেবেন"!
রাত থেকে খেলা শুরু, সাময়িক বিরতি কাটিয়ে দুর্দান্ত ফর্মে শীত
স্ত্রী'দের ঘরে বন্দী রাখার 'তালিবানি ফতেয়া', বিজেপি নেতার মন্তব্যে বাংলা জুড়ে হুলস্থূল
স্ত্রীদের ঘরে বন্দি করে রাখার নিদান বিজেপি নেতা তথা বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য কালীপদ সেনগুপ্তর। তার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।
স্ত্রীদের ঘরে বন্দি করে রাখার নিদান বিজেপি নেতা তথা বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য কালীপদ সেনগুপ্তর। তার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।
স্ত্রী'দের ঘরে বন্দী রাখার 'তালিবানি ফতেয়া', বিজেপি নেতার মন্তব্যে বাংলা জুড়ে হুলস্থূল
স্ত্রীদের ঘরে বন্দি করে রাখার নিদান বিজেপি নেতা তথা বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য কালীপদ সেনগুপ্তর। তার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করেঅ ভোটের আগে বিজেপিকে নিশানা করে আসরে নেমে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পকে ঘিরে বিজেপি নেতার মন্তব্যে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য কালীপদ সেনগুপ্ত লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধাভোগী মহিলাদের নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, সেই মন্তব্যকে ‘গণতান্ত্রিক সীমা লঙ্ঘন’ বলে আক্রমণ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের তরফে অভিযোগ, এই মন্তব্যের মাধ্যমে মহিলাদের অপমান করা হয়েছে এবং তাঁদের আর্থিক স্বাধীনতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলা হয়েছে।
দার্জিলিং মেলে এসি কামরায় ডাকাতি!
এই ইস্যুতে তৃণমূল নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য তীব্র ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলার লক্ষ লক্ষ মহিলা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন এবং রাজ্যের অর্থনীতিও শক্তিশালী হয়েছে। সেই মহিলাদের নিয়েই বিজেপি নেতা যেভাবে মন্তব্য করেছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়।” তাঁর দাবি, বিজেপি আসলে মহিলাদের ক্ষমতায়ন মানতে পারে না এবং মধ্যযুগীয় মানসিকতা চাপিয়ে দিতে চাইছে।
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আরও বলেন, “বিজেপি কি চায় যে আর্থিকভাবে স্বাধীন হলেই মহিলাদের শাস্তি দেওয়া হবে? এই নারীবিরোধী মানসিকতার জবাব বাংলার মহিলারা ভুলবেন না।” তাঁর হুঁশিয়ারি, আসন্ন নির্বাচনে ব্যালট বাক্সেই বিজেপির এই মনোভাবের উপযুক্ত জবাব দেবে রাজ্যের মহিলারা।
ফের রাজ্যে SIR-এর জেরে মৃত্যু BLO-র!
দাসপুরে বিজেপির রাজ্য কমিটির কালীপদ সেনগুপ্তের 'তালিবানি ফতেয়া'কে কেন্দ্র করে রাজ্য-রাজনীতিতে রীতিমত তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, "লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাওয়া মহিলাদের বন্দি করে রাখতে হবে। তারা যখন তৃণমূলকে ভোট দিতে যাবেন তখন তাদের স্বামীদের তাদেরকে ঘরে বন্দী করে রাখতে হবে। ভোটটা দিতে হবে পদ্মফুলে, জোড়া ফুলে নয়"। বিজেপি নেতার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে জোর তরজা।
তৃণমূলের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে ভিডিও ক্লিপিং পোস্ট করে লেখা হয়েছে," এটাই বিজেপির আসল নারী-বিদ্বেষী রূপ। যারা মুখে ‘নারী শক্তি’র কথা বলে, তারাই আজ মা-বোনেদের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে চায়। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষমতায়নকে ভয় পেয়ে বিজেপি এখন নারীদের ঘরবন্দি করার জঘন্য নিদান দিচ্ছে।মা-বোনেদের অপমান করার স্পর্ধা এরা পায় কোথা থেকে? বিজেপির এই মধ্যযুগীয় বর্বরতার যোগ্য জবাব আগামী নির্বাচনে বাংলার মা-বোনেরাই দেবেন"!
রাত থেকে খেলা শুরু, সাময়িক বিরতি কাটিয়ে দুর্দান্ত ফর্মে শীত