/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/26/passport-2026-02-26-15-05-27.jpg)
Post Office Bomb Scare: আদালতের পর এবার পোস্ট অফিসে বোমাতঙ্ক।
আদালতের পর এবার পোস্ট অফিস। বৃহস্পতিবার দুপুরে একটি উড়ো ইমেইলকে কেন্দ্র করে কলকাতা থেকে জেলা, রাজ্যের একাধিক ডাকঘরে ছড়িয়ে পড়ল বোমাতঙ্ক। সরকারি দফতর উড়িয়ে দেওয়ার এই হুমকিতে কার্যত হুলস্থুল পড়ে যায় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা নাগাদ একটি ইমেইল আসে, যেখানে কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলার গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট অফিসগুলি বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। ইমেইলটি পাওয়া মাত্রই নিরাপত্তার খাতিরে দ্রুত খালি করে দেওয়া হয় একের পর এক অফিস। কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ গ্রাহক, সবাইকে তড়িঘড়ি নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
কলকাতার পাশাপাশি জেলার একাধিক প্রান্ত থেকে একই ধরণের খবর আসতে শুরু করে।
কলকাতা: রুবি মোড়ের কাছে অবস্থিত পাসপোর্ট অফিসে প্রথম আতঙ্ক ছড়ায়। দ্রুত আধিকারিক ও কর্মীদের বের করে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন- অবিলম্বে বকেয়া DA কার্যকর করার দাবি, উত্তাল রাজপথ, অবরুদ্ধ ধর্মতলা
হুগলি: চুঁচুড়া হেড পোস্ট অফিস এবং শ্রীরামপুর পোস্ট অফিসে চূড়ান্ত উত্তেজনা দেখা দেয়। আরামবাগ হেড পোস্ট অফিসেও পুলিশ পৌঁছে দ্রুত তল্লাশি শুরু করে।
পূর্ব বর্ধমান: দুপুর ১২টা নাগাদ মুখ্য ডাকঘরে হুমকি মেইল আসতেই কর্মীরা আতঙ্কে বাইরে বেরিয়ে আসেন। পোস্ট অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।
অন্যান্য জেলা: বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ, বসিরহাট, ব্যারাকপুর এবং হাওড়া ময়দান সহ একাধিক জায়গার সরকারি দফতরে একই কায়দায় আতঙ্ক ছড়ানো হয়।
আরও পড়ুন-মনোনয়ন পর্বেও বিরাট তদারকির প্রস্তুতি কমিশনের, কবে বাংলায় ভোট ঘোষণা?
খবর পাওয়া মাত্রই বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ, সিআইএসএফ এবং বম্ব স্কোয়াড তল্লাশি শুরু করে। স্নিফার ডগ নিয়ে প্রতিটি কোণ পরীক্ষা করা হয়। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো জায়গা থেকেই কোনো সন্দেহজনক বিস্ফোরক বা বোমা উদ্ধার হয়নি। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই এই ইমেইল পাঠানো হয়েছিল।
উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই একইভাবে কলকাতা নগর দায়রা আদালত সহ চুঁচুড়া ও বহরমপুরের বিভিন্ন আদালতে বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছিল। বারবার আদালত এবং এবার ডাকঘরের মতো জনবহুল সরকারি দফতরকে টার্গেট করায় প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। কারা এই ইমেইল পাঠাচ্ছে এবং এর পেছনে বড় কোনো ষড়যন্ত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে লালবাজারের সাইবার সেল ও রাজ্য পুলিশ।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us