/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/27/malda-2026-01-27-16-12-28.jpg)
Cross-border crime: অনুপ্রবেশের অভিযোগে ধৃত বাংলাদেশি।
অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পালানোর সময় বিএসএফের হাতে ধরা পড়ল পাঁচ বাংলাদেশি যুবক। এই ঘটনায় অনুপ্রবেশে সাহায্য করার অভিযোগে এক ভারতীয় নাগরিককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মালদার হবিবপুর থানার বৈদ্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পান্নাপুর সীমান্ত এলাকায়। ধৃতদের মঙ্গলবার মালদা জেলা আদালতে পেশ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত পাঁচ বাংলাদেশির নাম মহম্মদ কাউসার, মহম্মদ রজব আলি, মহম্মদ আলামিন নবি, মহম্মদ রবিউল আলম এবং রকি সেখ। এদের সকলেরই বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। অন্যদিকে, ধৃত ভারতীয় দালালের নাম রিপন বিশ্বাস। তার বাড়ি হবিবপুরের পান্নাপুর এলাকাতেই।
স্থানীয় সূত্রে খবর, হবিবপুর থানার পান্নাপুরের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকাটির অনেকটাই কাঁটাতারহীন এবং উন্মুক্ত। সোমবার গভীর রাতে এই সুযোগ কাজে লাগিয়েই দালাল রিপন বিশ্বাসের সাহায্যে ওই পাঁচ বাংলাদেশি যুবক অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ওপারে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। সেই সময় সীমান্তে টহল দিচ্ছিল বিএসএফ-এর ৮৮ নম্বর ব্যাটেলিয়নের জওয়ানরা। তাদের সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে আসতেই জওয়ানরা তাদের পিছু ধাওয়া করে এবং ছয়জনকেই হাতেনাতে ধরে ফেলে।
আরও পড়ুন- Akhilesh Yadav: ‘বাংলাকে টার্গেট করতেই SIR’, মমতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ অখিলেশ ধুয়ে দিলেন BJP-কে
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে তদন্তকারীদের হাতে। পুলিশ জানতে পেরেছে, ধৃত ভারতীয় নাগরিক রিপন বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্তে চোরাচালান এবং অনুপ্রবেশকারী চক্রের সঙ্গে যুক্ত। তার কাজ ছিল মোটা টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশিদের এপারে নিয়ে আসা এবং নিজের বা অন্য ডেরায় সাময়িক আশ্রয় দেওয়া। এরপর কৌশলে তাদের ভিন রাজ্যে শ্রমিকের কাজে পাঠিয়ে দেওয়া হতো।
আরও পড়ুন-রাজীবের পর এবার কে? পরবর্তী ডিজি নিয়োগে নয়া জট, ক্যাটের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে আদালতে UPSC
তদন্তে আরও জানা গেছে, ধৃত ওই পাঁচ বাংলাদেশি বেশ কিছুদিন আগেই মালদার এই পান্নাপুর সীমান্ত দিয়েই ভারতে প্রবেশ করেছিল। এরপর তারা চেন্নাইতে গিয়ে প্রায় তিন মাস দিনমজুরের কাজ করে। গত সপ্তাহে তারা সেখান থেকে ফিরে এসে রিপনের বাড়িতে আশ্রয় নেয় এবং ফের বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা করে। কিন্তু শেষরক্ষা আর হয়নি।
মঙ্গলবার বিএসএফ ধৃতদের হবিবপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ এদিনই তাদের মালদা আদালতে পেশ করে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। রিপনের এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us