/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/01/nb-2026-02-01-13-15-27.jpg)
Bullet Train India: অর্থমন্ত্রী সীতারামন ৭টি উচ্চ-গতির রেল করিডোরের প্রস্তাব করেছেন।
7 New High Speed Rail Routes: ভারতের বুলেট ট্রেনের মানচিত্রে এবার জায়গা করে নিতে চলেছে বাংলাও! বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন দেশে আরও সাতটি নতুন হাই-স্পিড রেল বা বুলেট ট্রেন করিডর তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হলো বারাণসী থেকে শিলিগুড়ি। উত্তরবঙ্গবাসীর কাছে যা নিঃসন্দেহে বড় পাওনা।
কোন ৭টি রুটে চলবে বুলেট ট্রেন?
অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত সাতটি নতুন হাই-স্পিড রেল করিডর হলো: ১. মুম্বই-পুনে ২. পুনে-হায়দরাবাদ ৩. হায়দরাবাদ-বেঙ্গালুরু ৪. হায়দরাবাদ-চেন্নাই ৫. চেন্নাই-বেঙ্গালুরু ৬. দিল্লি-বারাণসী ৭. বারাণসী-শিলিগুড়ি
আরও পড়ুন- Budget 2026: দালাল স্ট্রিটে 'রক্তগঙ্গা'! বাজেট আসতেই ২২০০ পয়েন্ট ধস সেনসেক্সে!
মুম্বই-আহমেদাবাদ প্রকল্পের আপডেট
বর্তমানে দেশের প্রথম হাই-স্পিড রেল করিডর অর্থাৎ মুম্বই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্পের কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে। রেল মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই রুটে এখন বিদ্যুতায়নের কাজ বা ইলেকট্রিফিকেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন-Union Budget 2026: বাজেটে কী কী সস্তা? কোন কোন জিনিসের দাম বাড়ল?
এলিভেটেড ভায়াডাক্ট বা উঁচুর ওপর দিয়ে যাওয়া লাইনে ওভারহেড ইকুইপমেন্ট (OHE) মাস্ট বা খুঁটি বসানোর কাজ চলছে। পুরো করিডর জুড়ে ৯.৫ থেকে ১৪.৫ মিটার উচ্চতার প্রায় ২০,০০০-এর বেশি মাস্ট বসানো হবে।
আরও পড়ুন-income tax slab 2026: "জেল নয়, জরিমানা!" কর ফাঁকিতে বড় স্বস্তি দিলেন নির্মলা, ১ এপ্রিল থেকে নতুন আইন
অর্থনীতিতে জোয়ার ও রেলমন্ত্রীর বার্তা
রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, বুলেট ট্রেন প্রকল্প ভারতীয় অর্থনীতিতে একটি 'মাল্টিপ্লায়ার এফেক্ট' বা বহুমুখী প্রভাব ফেলবে। তিনি বলেন, "প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে মুম্বই ও আহমেদাবাদের মধ্যে যাতায়াতের সময় কমে ২ ঘণ্টার নিচে চলে আসবে।"
যাত্রীদের সুবিধার কথা বোঝাতে গিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, "ধরা যাক, কেউ সকালে সুরাটে ব্রেকফাস্ট করে বুলেট ট্রেনে চেপে মুম্বই গিয়ে অফিসের কাজ সারলেন। আবার কাজ শেষ করে সন্ধ্যায় সুরাটে ফিরে ডিনার করলেন। বুলেট ট্রেন চালু হলে এই ধরণের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা বাস্তবে সম্ভব হবে।"
রেলমন্ত্রী আরও জানান, এই প্রকল্পের নির্মাণকাজের ফলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। উল্লেখ্য, পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দিতে সরকার বাজেটে মূলধনী ব্যয় বা ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার হিসেবে বিপুল অর্থ বরাদ্দ করেছে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us