/indian-express-bangla/media/media_files/2024/11/13/W95PVLhlb9fCTUyE7EeY.jpg)
Budget 2026: বাজেট পেশের পরেই শেয়ার বাজারে বড়সড় প্রভাব।
Sensex Fall-Nifty Drop: বাজেট পেশের দিনেই বড়সড় রক্তক্ষরণ দালাল স্ট্রিটে। রবিবার অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ডেরিভেটিভস ট্রেডিং বা ফিউচার্স ও অপশনস (F&O)-এর ওপর কর বৃদ্ধির ঘোষণা করতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল শেয়ার বাজার। একসময়ে সেনসেক্স ২২০০ পয়েন্ট পর্যন্ত নিচে নেমে যায়।
কেন এই ধস?
বাজারের এই পতনের প্রধান কারণ হলো সিকিউরিটিজ ট্রানজাকশন ট্যাক্স (STT) বৃদ্ধি। বাজেটে অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন,এসটিটি ০.০২% থেকে বাড়িয়ে ০.০৫% করা হয়েছে।অপশন প্রিমিয়ামের ওপর এসটিটি ০.১০% থেকে বাড়িয়ে ০.১৫% করা হয়েছে। ট্রেডিং খরচ একলাফে অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় ট্রেডাররা তড়িঘড়ি নিজেদের পজিশন বিক্রি করতে শুরু করেন, যার ফলে এই পতন।
সূচকের হালহকিকত
সেনসেক্স দিনের একসময়ে ২২০০ পয়েন্ট পড়ে ৮০,০৬৮-র স্তরে নেমে আসে।নিফটি ২.১৬ শতাংশ কমে ২৪,৭৭৩-এ পৌঁছায়। পরে সামান্য রিকভারি হলেও অস্থিরতা বজায় ছিল।
আরও পড়ুন- income tax slab 2026: "জেল নয়, জরিমানা!" কর ফাঁকিতে বড় স্বস্তি দিলেন নির্মলা, ১ এপ্রিল থেকে নতুন আইন
বড় শেয়ারের থেকেও খারাপ অবস্থা ছোট ও মাঝারি শেয়ারের। নিফটি মিডক্যাপ ১০০ সূচক ২.৭% এবং স্মলক্যাপ সূচক ৩.৪% পড়েছে। খোদ বিএসইর (BSE) শেয়ারও ইন্ট্রা-ডে ট্রেডিংয়ে ১০ শতাংশ পর্যন্ত পড়ে যায়।রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক (PSU Banks) এবং মেটাল সেক্টরের শেয়ারে সবচেয়ে বেশি পতন দেখা গিয়েছে।
আরও পড়ুন-Union Budget 2026: বাজেটে কী কী সস্তা? কোন কোন জিনিসের দাম বাড়ল?
বাজেটে কর্পোরেট ও লগ্নিকারীদের জন্য অন্য ঘোষণা বাজার পড়লেও বাজেটে কোম্পানি ও লগ্নিকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ছিল।শেয়ার বাইব্যাকের (Buyback) ওপর কার্যকরী কর ২২% করা হয়েছে। অন্যদিকে, ম্যাট (MAT) ১৫% থেকে কমিয়ে ১৪% করা হয়েছে।লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি তৈরির কাঁচামাল, সোলার গ্লাস, বিমানের মেরামতির সরঞ্জাম এবং পারমাণবিক প্রকল্পের পণ্যে শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়েছে।
তবে স্থানীয় উৎপাদন বাড়াতে দেশীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যের ওপর থেকে কিছু ছাড় প্রত্যাহার করা হয়েছে।অনাবাসী ভারতীয়দের (NRI) বিনিয়োগ বাড়াতে পোর্টফোলিও ইনভেস্টমেন্ট স্কিমের ব্যক্তিগত সীমা ১০% এবং সামগ্রিক সীমা ২৪% পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
ভবিষ্যৎ কী?
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এসটিটি বৃদ্ধির ফলে ট্রেডিং খরচ বাড়লেও ভারতের অর্থনীতির মৌলিক কাঠামো বা ফান্ডামেন্টালস মজবুত রয়েছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষায় ২০২৭ অর্থবছরে দেশের জিডিপি বৃদ্ধি ৬.৮ থেকে ৭.২ শতাংশ হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে লগ্নিকারীদের জন্য আশার আলো।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us