/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2019/01/gangasagar-mela-759-new.jpg)
সাগরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করেছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। ছবি: টুইটার।
গঙ্গাসাগর মেলা ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হল। সাগরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করেছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে প্রতিবছর গঙ্গাসাগর মেলায় লাখো মানুষের জমায়েত হয় সাগরে। নদীপথে নজরদারির পাশাপাশি আকাশপথেও নজরদারি চালানো হবে বলে জানা গিয়েছে। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে এমনই খবর।
উপকূলরক্ষী বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, সাগরে নিরাপত্তার স্বার্থে হোভারক্র্যাফ্ট, হাই স্পিড পেট্রল ভেসেল রাখা হচ্ছে। বোটেও নজরদারি চালানো হবে। মেলা প্রাঙ্গণে হোভারক্র্যাফ্ট ভেহিক্যালে করে জোরদার টহল চালানো হবে। এ প্রসঙ্গে এক আধিকারিক জানিয়েছেন, গোটা এলাকাকেই নিরাপত্তার বেড়াজালে মুড়ে ফেলা হয়েছে। গঙ্গাসাগর স্নানে নেমে যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে, সেকারণে ডুবুরিদেরও রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি থাকছে লাইফ সেভিং র্যাপিড অ্যাকশন টিম। মেলা প্রাঙ্গণে রাখা থাকবে রবার জেমিনি বোট।
উপকূলরক্ষী বাহিনীর ফাস্ট পেট্রল ভেসেলও রাখা থাকবে মেলা প্রাঙ্গণে। কোস্টাল সিকিউরিটি নেটওয়ার্ক সিস্টেমেরও সাহায্য নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। হলদিয়ায় উপকূল রক্ষী বাহিনীর অপারেশন সেন্টার থেকে গোটা পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালানো হবে।
আরও পড়ুন, ১০০ কোটির বাজেট নিয়ে আকাশপথে নজরদারি সাগরে
প্রশাসন সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, ড্রোন নির্ভর ক্যামেরা ব্যবহার করায় কিছু সমস্যা আছে। কিছুক্ষণ চলার পর ব্যাটারি শেষ হয়ে ক্যামেরা বন্ধ হয়ে যায়। ৩০ মিনিট পর পর ব্যাটারি চার্জ দিতে হয়। শুধু তাই নয়, ড্রোন নির্দিষ্ট উচ্চতায় ওঠার পর থেমে যায়। নামানোর অসুবিধা হয়। সেক্ষেত্রে বেলুন ক্যামেরা অনেক বেশি কার্যকরী। প্রতিটি ক্যামেরা-সহ বেলুনের দাম প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা, এবং প্রতিটি ক্যামেরায় থাকবে চারটি করে বেলুন, যেগুলি উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিমে নজর রাখবে। ৭০ ফুট উচ্চতা থেকে এই ক্যামেরাগুলি নজর রাখতে পারবে। সুবিধামত ঘোরানো যাবে তিন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মেগা কন্ট্রোল রুম থেকে।
এছাড়াও এবছর মেলা প্রাঙ্গণকে আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রযুক্তি নির্ভর করে তোলা হচ্ছে। তার জন্য বানানো হয়েছে মেগা কন্ট্রোল রুম। যেখান থেকে শুধু মেলা প্রাঙ্গণ নয়, কচুবেড়িয়া, চেমাগুড়ি থেকে শুরু করে বেণুবন পয়েন্ট পর্যন্ত সবটাই থাকবে সিসিটিভির নজরে। সেইসঙ্গে বানানো হচ্ছে অস্থায়ী আবহাওয়া অফিসও। প্রতি ঘন্টায় দেওয়া হবে আবহাওয়ার আপডেট। পুরো বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক উচ্চ পর্যায়ে মিটিংও হয়েছে।
Read the full story in English
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us