/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/26/sophia-qureshi-vishisht-seva-padak-operation-sindoor-2026-01-26-11-59-45.jpg)
কর্নেল সোফিয়া কুরেশি
Republic Day 2026: 'অপারেশন সিন্দুরে' পাকিস্তানের ভূমিকা আন্তর্জাতিক মহলে উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীর কর্নেল সোফিয়া কুরেশিকে বিশিষ্ট 'সেবা পদকে' সম্মানিত করল মোদী সরকার। ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু যে সম্মান তালিকা অনুমোদন করেছেন, সেখানে তাঁর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
২০২৫ সালে পাকিস্তানে সক্রিয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অপারেশন সিন্দুর চলাকালীন কর্নেল সোফিয়া কুরেশি বিশ্ব মঞ্চে ভারতের পক্ষে অন্যতম মুখ হিসেবে সামনে আসেন। কৌশলগত বিশ্লেষণ, স্পষ্ট বার্তা এবং সংযত উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও কূটনৈতিক মহলে ভারতের অবস্থান দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেন। ওই অভিযানের পর বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি প্রাথমিক বিবৃতির পর কর্নেল কুরেশি এবং ভারতীয় বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিং যৌথভাবে অভিযানে ব্যবহৃত কৌশল ও পদ্ধতির বিস্তারিত ব্যাখ্যা বিশ্বের সামনে তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন- প্রজাতন্ত্র দিবসের ভোরে বিধ্বংসী আগুন কলকাতায়! আনন্দপুরে ভস্মীভূত গোডাউন, ভেতরে আটকে ৩-৪ জন?
রাষ্ট্রপতির অনুমোদিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর সশস্ত্র বাহিনীর মোট ৭০ জন সদস্যকে বীরত্বের পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে, যার মধ্যে ছয়টি মরণোত্তর সম্মানও রয়েছে। পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের জন্য মোট ৩০১টি সামরিক পদক অনুমোদিত হয়েছে।
কর্নেল সোফিয়া কুরেশির কর্মজীবন শুরু হয় চেন্নাইয়ের অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমি (ওটিএ) থেকে। প্রশিক্ষণকালেই কৌশলগত পরিকল্পনা ও বিশেষ পরিস্থিতিতে তাঁর ব্যতিক্রমী বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতা নজর কাড়ে সকলের। শান্ত স্বভাব ও কর্ম দক্ষতার জন্য তিনি সহকর্মী ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজর কাড়েন। ১৯৭৪ সালে গুজরাটের ভদোদরায় এক সামরিক পরিবারে জন্ম কর্নেল কুরেশির।
২০০১ সালের ডিসেম্বরে ভারতীয় সংসদে জঙ্গি হামলার পর পাঞ্জাব সীমান্তে পরিচালিত অপারেশন পরাক্রমেও কর্নেল কুরেশির ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রসংঘ শান্তিরক্ষা অভিযানের অংশ হিসেবে ২০০৬ সাল থেকে ছয় বছর তিনি কঙ্গোতে দায়িত্ব পালন করেন। সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার সেই অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কর্নেল কুরেশি বলেন, “সংঘাতের মধ্যে দাঁড়িয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা আমার জীবনের অন্যতম গর্বের মুহূর্ত।”


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us