/indian-express-bangla/media/media_files/2025/10/09/gaza-trump-2025-10-09-17-54-09.jpg)
খামেইনি নিহত! এবার কী অভিযান থামবে? জবাবে যা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইজরায়েলি যৌথ বিমান হামলাকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে বলেন, এই অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেইনি নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দেন, লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত থাকবে। ট্রাম্পের দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করা এবং নৌবাহিনীকে কার্যত নিশ্চিহ্ন করাই এই হামলার উদ্দেশ্য।
ফ্লোরিডার মার-আ-লাগো রিসর্ট থেকে অভিযান পর্যবেক্ষণ করছেন ট্রাম্প। শনিবার বিকেলে নিজের ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, বিমান হামলায় খামেনির মৃত্যু হয়েছে। এর আগেই এক শীর্ষ ইজরায়েলি কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা রয়টার্স-কে জানিয়েছিলেন, খামেনির মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমও খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে।
ট্রাম্প লেখেন, “এটি শুধু ইরানের জনগণের জন্য নয়, বিশ্বের নানা প্রান্তের সেই সব মানুষের জন্যও ন্যায়বিচার, যারা খামেনি ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের দ্বারা নিহত বা পঙ্গু হয়েছেন।” তবে এর আগে তিনি সতর্ক করেছিলেন, ইরানে ‘বড় ধরনের সামরিক অভিযানে’ মার্কিন সেনার হতাহতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। যদিও হামলার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনও মার্কিন সেনার মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার খবর নেই এবং মার্কিন ঘাঁটিগুলির ক্ষয়ক্ষতিও সামান্য।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এই হামলা কয়েক দিন ধরে চলতে পারে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, “মধ্যপ্রাচ্য এবং গোটা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত এই বোমাবর্ষণ থামবে না।” উল্লেখ্য, ট্রাম্প ফের হোয়াইট হাউসে ফেরার পর এটি ইরানের উপর দ্বিতীয় দফার মার্কিন হামলা। গত জুন মাসে ইরানের পারমাণবিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল ওয়াশিংটন।
এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ছাড়তে রাজি ছিল না এবং ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ক্ষমতা বজায় রাখতেই তারা আলোচনা চালাচ্ছিল। অন্য এক কর্মকর্তা জানান, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি তাৎক্ষণিক 'হুমকি' তৈরি করেছিল এবং মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে আগাম হামলার ইঙ্গিতও মিলেছিল।
শনিবারের ভিডিও বার্তায় ট্রাম্প ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোরের সদস্যদের অস্ত্র নামানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, তা করলে তাদের নিরাপত্তা দেওয়া হবে, নচেৎ ‘নিশ্চিত মৃত্যু’ অপেক্ষা করছে। তিনি ইরানের জনগণকে দেশের শাসনভার নিজেদের হাতে নেওয়ার আহ্বানও জানান।
এদিকে, এই হামলা ঘিরে মার্কিন কংগ্রেসে প্রশ্ন উঠেছে। হাউস ইন্টেলিজেন্স কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট জিম হাইমস বলেন, “এটি কোনও সুস্পষ্ট কৌশল ছাড়া বেছে নেওয়া যুদ্ধ।” হাউস মাইনরিটি লিডার হাকিম জেফরিজ দাবি করেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া এমন আগাম সামরিক অভিযান গ্রহণযোগ্য নয়।
আরও পড়ুন-খামেনিকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল? মার্কিন-ইজরায়েলর পুরো পরিকল্পনা জানলে গায়ে কাঁটা দেবে
আরও পড়ুন- 'ভবানীপুর ছেড়ে পালাবেন না', ৪৭ হাজার নাম বাদ হতেই মমতাকে ওপেন চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর
আরও পড়ুন-ইরান হামলার পর ট্রাম্পের ভয়ঙ্কর হুমকি, বিশ্বজুড়ে ছড়াল অনিশ্চয়তার কালো মেঘ
আরও পড়ুন- 'ভবানীপুর ছেড়ে পালাবেন না', ৪৭ হাজার নাম বাদ হতেই মমতাকে ওপেন চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us