/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/06/kolkata-high-court-directs-eci-to-file-affidavit-on-sir-process-west-bengal-2025-11-06-14-43-50.jpg)
আত্মবিশ্বাসী নির্বাচন কমিশন
নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে আত্মবিশ্বাসী নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ কুমার আগরওয়াল জানান, এক কোটিরও বেশি ভোটারের শুনানি প্রক্রিয়া এখন শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
আরও পড়ুন-Humayun Kabir: মাটিতে পা পড়বে না নেতার! ভোটের প্রচারে শুধুই হেলিকপ্টারে উড়বেন হুমায়ুন কবীর
মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা যেন সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত হয়, সে জন্য প্রতিটি স্তরে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। শুনানির পর যে তথ্য অনলাইনে আপলোড করা হচ্ছে, তা মাইক্রো-অবজার্ভারদের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি, বিশেষ পর্যবেক্ষকরা সমস্ত নথি, তথ্য ও অনলাইন সিদ্ধান্তের উপর ‘সুপার-চেক’ করছেন বলে জানান তিনি।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কথায়, আগে যাঁরা শুনানি কেন্দ্রগুলিতে মাইক্রো-অবজার্ভার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন, তাঁদের এখন ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষকদের সহায়তায় পুনরায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে তালিকা প্রস্তুতের কাজ আরও মসৃণভাবে সম্পন্ন করা যায়।
এদিকে কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৭ লক্ষ ৪৪ হাজারেরও বেশি ভোটার ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আবেদন করেছেন। নির্বাচন কমিশনের দাবি, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই সমস্ত যাচাই-বাছাই শেষ করে একটি স্বচ্ছ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার শুনানির সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উপস্থিত থেকে অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়ায় ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ দেখিয়ে বহু ভোটারকে অযথা নোটিস পাঠানো হচ্ছে। তাঁর দাবি, এতে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে বয়স্ক, অসুস্থ ও বিবাহের পর নাম-পদবী পরিবর্তনের কারণে মহিলারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এমনকি জীবিত ব্যক্তিকেও মৃত হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি, খ্যাতনামা কবি জয় গোস্বামীকে ‘আনম্যাপড’ হিসেবে দেখানোর ঘটনাও আদালতের নজরে আনেন মুখ্যমন্ত্রী।
এই প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীকে উদ্দেশ করে বলেন, "জয় গোস্বামীর মতো স্বনামধন্য সাহিত্যিকের ক্ষেত্রে এমন ভুল দুর্ভাগ্যজনক। তিনি কমিশনের আধিকারিকদের আরও সতর্ক ও মানবিক হওয়ার পরামর্শ দেন। বিচারপতি বলেন, “এ ধরনের ব্যক্তিদের অযথা নোটিস পাঠানো উচিত নয়।”
আরও পড়ুন-"জয় গোস্বামীর মতো স্বনামধন্য ব্যক্তিত্বের'....অযথা নোটিস কমিশনের? কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us