/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/02/ec-2025-12-02-12-12-42.jpg)
Election Commission India: নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু (বামে) এবং বিবেক যোশীর সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। (ফাইল ছবি)
Special Intensive Revision-SIR: নির্বাচনী তালিকার বিশেষ নিবিড় পুনর্মূল্যায়ন (SIR) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ২৪ জুনের আদেশ জারি হওয়ার দিনই কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু খসড়া নির্দেশনাতে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন, এমনটাই উঠে এসেছে সরকারি নথি পর্যালোচনায়।
খসড়া নির্দেশিকায় সান্ধু লিখেছিলেন, “বয়স্ক, অসুস্থ, প্রতিবন্ধী, দরিদ্র এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ শ্রেণির প্রকৃত ভোটাররা যেন কোনওভাবেই হয়রানির শিকার না হন এবং তাঁদের সমস্ত রকম সুবিধা দেওয়া হয়, এই ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতা নিতে হবে।” এই মন্তব্যের পেছনে ছিল সর্বজনীন ভোটারদের কাছ থেকে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করানোর নির্দেশ এবং নির্দিষ্ট শ্রেণির নাগরিকদের অতিরিক্ত নথি জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা।
এই খসড়ায় স্বাক্ষর করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। আরও বিশেষ বিষয়, খসড়া নির্দেশটি সেদিনই হোয়াটসঅ্যাপে অনুমোদিত হয়, যা নির্দেশের জারির তড়িঘড়ি বোঝায়।
চূড়ান্ত নির্দেশে বড় পরিবর্তন: বাদ গেল ‘Citizenship Act’-এর উল্লেখ
খসড়া আদেশের ২.৫ ও ২.৬ অনুচ্ছেদে বিশেষভাবে উল্লেখ ছিল যে ২০০৪ সালে Citizenship Act–এ বড় সংশোধনের পর এই প্রথম সারা দেশে SIR চালানো হচ্ছে। সেই সংশোধনকেই যুক্তি হিসেবে দেখানো হয়েছিল নিবিড় পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে।
আরও পড়ুন- SIR: মৃত নেই, ভুয়ো নেই, সবাই ঠিক! বাংলার ২,২০৮ বুথে কী ঘটছে? SIR পর্বে তোলপাড় রাজ্য
কিন্তু ২৪ জুন সন্ধ্যায় প্রকাশিত চূড়ান্ত নির্দেশে ওই অংশ পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়। বরং ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে শুধুমাত্র সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২৬–এর নাগরিকত্বের শর্তের কথা বলা হয়। সেখানে লেখা, “একজন নির্বাচকের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হলে তিনি ভারতের নাগরিক হতে হবে… কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব শুধুমাত্র নাগরিকদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা।” তবে অনুচ্ছেদটি শেষ হয়েছে হঠাৎই, সেমিকোলনের পর বাক্য অসম্পূর্ণ। এ নিয়ে কমিশন এখনও কোনও মন্তব্য করেনি।
আরও পড়ুন-West Bengal news live Updates: SIR নিয়ে আইনি লড়াইয়ে আজ নতুন অধ্যায়, শুনানি সুপ্রিম কোর্টে
সান্ধুর সতর্কবার্তা চূড়ান্ত নির্দেশে প্রতিফলিত:
The Indian Express সান্ধুর মন্তব্য নিয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রতিক্রিয়া দেননি। নির্বাচন কমিশনের মুখপাত্রের কাছেও কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে চূড়ান্ত আদেশে সান্ধুর উদ্বেগ প্রতিফলিত হয়েছে। ১৩ নম্বর অনুচ্ছেদে তাঁরই তোলা বিষয়টি শব্দগত পরিবর্তনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে,
“এটি একটি নিবিড় পুনর্মূল্যায়ন। ২৫ জুলাই, ২০২৫–এর মধ্যে এনুমারেশন ফর্ম জমা না হলে নাম খসড়া তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।
তবে বয়স্ক, অসুস্থ, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন, দরিদ্র এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীকে কোনওভাবেই হয়রানি না করে, তাঁদের সর্বোচ্চ সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।” তবে সান্ধুর খসড়ায় উল্লেখ থাকা “citizens” শব্দটি শেষ পর্যন্ত বাদ পড়ে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us