কমিশন-রাজ্য সংঘাত সপ্তমে, রাজ্যের আবেদনকে উড়িয়ে নিজেদের সিদ্ধান্তেই অনড়, ভোটের আগে তোলপাড়

নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের যে ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিককে কেন্দ্রীয় নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে, তাঁদের তালিকায় কোনও পরিবর্তন করা হবে না।

নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের যে ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিককে কেন্দ্রীয় নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে, তাঁদের তালিকায় কোনও পরিবর্তন করা হবে না।

author-image
IE Bangla Web Desk
New Update
Election Commission of India (ECI)  ,West Bengal Government  ,Officers Suspended , Nandini Chakraborty,  Serious Misconduct  ,Dereliction of Duty,AERO suspension West Bengal,নির্বাচন কমিশন  ,৭ সরকারি আধিকারিক সাসপেন্ড,  পশ্চিমবঙ্গ সংবাদ  ,নবান্ন,  শোকজ ও বরখাস্ত  ,মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, জলপাইগুড়ি নিউজ

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের সদর কার্যালয়।

ভিন রাজ্যে এসআইআর-এ অফিসার নিয়োগেও রাজ্য-কমিশন সংঘাত চরমে। ভিনরাজ্যে ভোটগ্রহণের জন্য নিযুক্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সংক্রান্ত রাজ্য সরকারের পাঠানো বিকল্প তালিকার আবেদন খারিজ করে দিল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের যে ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিককে কেন্দ্রীয় নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে, তাঁদের তালিকায় কোনও পরিবর্তন করা হবে না।

Advertisment

আরও পড়ুন- Mamata Banerjee: "সুবিচারের জন্য কাঁদছি..." SIR মামলা নিজেই লড়লেন! আইনজীবীর পোশাকে সুপ্রিম কোর্টে ঝড় তুললেন মমতা   

বুধবার নির্বাচন কমিশন রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে জানায়, এই ২৫ জন আধিকারিককে ভিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সিদ্ধান্তই  বহাল থাকবে। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের আগামী ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও ব্রিফিং বৈঠকে অংশ নিতেই হবে।

এর আগে রাজ্য সরকার জানিয়েছিল, নির্বাচনের সময় এত বিপুল সংখ্যক সিনিয়র প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিককে রাজ্যের বাইরে পাঠানো হলে আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সমস্যা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকের অনুপস্থিতি রাজ্যের পক্ষে অস্বস্তিকর হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। সেই কারণেই নবান্ন বিকল্প কিছু নাম প্রস্তাব করে কমিশনের কাছে তালিকা পরিবর্তনের আবেদন জানিয়েছিল।

তবে নির্বাচন কমিশন সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। কমিশনের বক্তব্য, নির্দিষ্ট রাজ্যের আধিকারিকদের ভিন  রাজ্যে কেন্দ্রীয় নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা একটি নিয়মিত ও স্বীকৃত প্রক্রিয়া। এতে কোনওভাবেই রাজ্যের প্রশাসনিক স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়ার প্রশ্ন নেই। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মনোনীত আধিকারিকদের দায়িত্ব এড়ানোর কোনও সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন- Humayun Kabir: মাটিতে পা পড়বে না নেতার! ভোটের প্রচারে শুধুই হেলিকপ্টারে উড়বেন হুমায়ুন কবীর   

কমিশনের এই অবস্থানের পর নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকার সংশ্লিষ্ট আইএএস ও আইপিএস আধিকারিকদের নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে তাঁদের নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করতেই হবে বলে রাজ্য প্রশাসনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের ২৫ জন সিনিয়র আধিকারিককে নিয়োগের তালিকা প্রকাশ করে। ওই তালিকায় ছিলেন ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিক, যার মধ্যে বর্তমান স্বরাষ্ট্রসচিবও রয়েছেন। তালিকা প্রকাশের পরেই নবান্ন কমিশনের কাছে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানায়।

আরও পড়ুন- "জয় গোস্বামীর মতো স্বনামধন্য ব্যক্তিত্বের'....অযথা নোটিস কমিশনের? কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

mamata election commission