/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/01/election-commission-2025-08-01-14-25-26.jpg)
Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের সদর কার্যালয়।
ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (SIR) চলাকালীন সম্ভাব্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশঙ্কা করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দপ্তরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আবেদন জানাল নির্বাচন কমিশন (ECI)। সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর ঘেরাওয়ের ঘটনার প্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সচিব সুজিত কুমার মিশ্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্মসচিব অনিল সুব্রহ্মণ্যমকে লেখা এক চিঠিতে জানান, গত ২৪ ও ২৫ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভের জেরে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির অবনতি হয়। অভিযোগ, ওই দিন বুথ লেভেল অফিসার (BLO) ও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের কর্মীরা দপ্তরটি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। এর ফলে দপ্তরের আধিকারিক ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় আশঙ্কা তৈরি হয়।
আরও পড়ুন- SIR list: ভোটার লিস্টে নাম আছে তো? কমিশন নোটিস পাঠালে কী করবেন? আগেভাগে জেনে রাখুন
চিঠিতে নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে, “বিশেষ নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়া এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষিতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।” কমিশনের মতে, SIR-এর মতো সংবেদনশীল প্রক্রিয়ার সময় এমন পরিস্থিতি নির্বাচনী কাজকর্মে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।
এছাড়াও চিঠিতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বর্তমান দপ্তরের নিরাপত্তা ও পরিকাঠামোগত সমস্যার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে ওই দপ্তরটি নেতাজি সুভাষ রোডের একটি ভবনের ভাড়া করা দুই তলায় চলছে। নিরাপত্তার অভাব, প্রাথমিক সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সমস্যার কারণে দপ্তরটি শীঘ্রই বিবিদি বাগ এলাকার স্ট্র্যান্ড রোডের শিপিং হাউস ভবনে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, নতুন দপ্তরে স্থানান্তরের কাজ শেষ হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। এই পরিস্থিতিতে বর্তমান দপ্তর এবং নতুন দপ্তর, দুই জায়গাতেই সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) মোতায়েনের আবেদন জানানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের এক শীর্ষ কর্তা জানান, প্রথমে রাজ্য পুলিশের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজ্য পুলিশ যথেষ্ট সক্রিয় নয়। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপ ঘিরে রাজ্য-রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us