/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/01/election-commission-2025-08-01-14-25-26.jpg)
Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের সদর কার্যালয়।
IAS Transfer Controversy: বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া চলাকালীন তিন আইএএস (IAS) অফিসারের বদলি ঘিরে ফের নজিরবিহীন সংঘাতে জড়াল নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে কড়া ভাষায় চিঠি লিখে ওই বদলি অবিলম্বে বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সচিব সুজিত কুমার মিশ্র। একইসঙ্গে সাফ জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে এই ধরণের কোনও পদক্ষেপের আগে কমিশনের আগাম অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।
কমিশনের আপত্তির কারণ
নির্বাচন কমিশনের দাবি, গত ২৭ অক্টোবর রাজ্যে বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ শুরুর সময় স্পষ্ট জানানো হয়েছিল যে, এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিককে কমিশনের অনুমতি ছাড়া বদলি করা যাবে না। কিন্তু রাজ্য সরকার গত ১ ডিসেম্বর, ২০ জানুয়ারি এবং ২১ জানুয়ারি তিনটি পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিন আইএএস অফিসারের দফতর বদল বা অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়।
যাঁদের বদলি নিয়ে বিতর্ক:
অশ্বিনী কুমার যাদব (২০০১ ব্যাচ): উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক।
রণধীর কুমার (২০০৬ ব্যাচ): উত্তর ২৪ পরগনা ও উত্তর কলকাতার ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক।
আরও পড়ুন-Ajit Pawar Plane Crash: কোন সংস্থার বিমানে ভ্রমণ করছিলেন অজিত পাওয়ার? দামই বা কত?
স্মিতা পাণ্ডে (২০০৫ ব্যাচ): পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক। কমিশনের বক্তব্য, এই আধিকারিকরা বর্তমানে কমিশনের 'ডেপুটেশনে' রয়েছেন। ফলে তাঁদের বদলি করা নির্বাচনী বিধিভঙ্গের শামিল।
ডেডলাইন বেঁধে দিল কমিশন
মুখ্যসচিবকে পাঠানো চিঠিতে কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, এই বদলির নির্দেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। শুধু তাই নয়, আজ অর্থাৎ ২৮ জানুয়ারি বিকেল ৩টের মধ্যে এই নির্দেশ পালনের রিপোর্ট (Compliance Report) জমা দেওয়ার চরম সময়সীমা বা ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সচিব সুজিত কুমার মিশ্র বলেন, "কমিশনের অনুমতি ছাড়া এই বদলি নিয়মবিরুদ্ধ। অবিলম্বে বদলি বাতিল করে ভবিষ্যতে আগাম অনুমতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।"


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us