১৫০ কোটির বেশি দুর্নীতি, ভোটের আগে কয়লা পাচার কাণ্ডে ইডির জালে কে কে?

মঙ্গলবার গ্রেফতারের পর চিন্ময় ও কিরণকে কলকাতার ইডির বিশেষ আদালতে পেশ করা হয়। আদালত তাঁদের ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইডি হেফাজতে পাঠিয়েছে। তদন্তে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার অঘোষিত লেনদেনের হদিস মিলেছে বলে দাবি ইডির।

মঙ্গলবার গ্রেফতারের পর চিন্ময় ও কিরণকে কলকাতার ইডির বিশেষ আদালতে পেশ করা হয়। আদালত তাঁদের ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইডি হেফাজতে পাঠিয়েছে। তদন্তে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার অঘোষিত লেনদেনের হদিস মিলেছে বলে দাবি ইডির।

author-image
IE Bangla Web Desk
New Update
Chandranath Sinha,  ED,  Enforcement Directorate  ,Primary teacher recruitment,  Corruption case  ,West Bengal minister,  Cash seizure,  Investigation,  Court appearance  ,Chargesheet,চন্দ্রনাথ সিনহা,  ইডি  ,এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট,  প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ,  দুর্নীতি মামলা,  রাজ্য মন্ত্রী,  নগদ টাকা উদ্ধার  ,তদন্ত,  আদালত হাজিরা , চার্জশিট

ED: প্রতীকী ছবি। Photograph: (pp)

আসানসোল ও দুর্গাপুরে কয়লা পাচার চক্রের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগে দুই রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। মঙ্গলবার জিজ্ঞাসাবাদের সময় পরস্পরবিরোধী বয়ানের পর চিন্ময় মণ্ডল ও তাঁর ভাইপো কিরণ খানকে গ্রেফতার করা হয় বলে ইডি সূত্রে খবর।

Advertisment

আরও পড়ুন-Beldanga Violence Case: রাজ্যের আপত্তি ধোপে টিকল না, বেলডাঙার হিংসায় NIA-র রাশ আলগা করল না সুপ্রিম কোর্ট 

সোমবার কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল চিন্ময়, কিরণ এবং পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর মনোরঞ্জন মণ্ডলকে। চিন্ময় ও কিরণ হাজির হলেও মনোরঞ্জন উপস্থিত হননি। ইডি সূত্রের দাবি, ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে বারবার তলব করা সত্ত্বেও মনোরঞ্জন জিজ্ঞাসাবাদ এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। সম্প্রতি তিনি বুদবুদ থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন। তবে মঙ্গলবারই তাঁর ওই বদলি বাতিল করে আগের স্থানেই যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisment

তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আসানসোল ও দুর্গাপুর এলাকায় কয়লা পাচার চক্র পরিচালনায় চিন্ময় ও অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে যোগসাজশে যুক্ত ছিলেন মনোরঞ্জন। চলতি মাসের শুরুতে দুর্গাপুরে তাঁর বাড়িতে প্রায় ন’ঘণ্টা তল্লাশি চালায় ইডি।

মঙ্গলবার গ্রেফতারের পর চিন্ময় ও কিরণকে কলকাতার ইডির বিশেষ আদালতে পেশ করা হয়। আদালত তাঁদের ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইডি হেফাজতে পাঠিয়েছে। তদন্তে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার অঘোষিত লেনদেনের হদিস মিলেছে বলে দাবি ইডির।

দুর্গাপুরের বাসিন্দা চিন্ময় ও রানিগঞ্জের কিরণ অভিযুক্ত কয়লা পাচার চক্রের মূলচক্রী অনুপ মাজির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। কয়লা পাচার থেকে অর্জিত অর্থ রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হত বলেও সূত্রের দাবি।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে রাজ্যে বহুল আলোচিত কয়লা কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি ও সিবিআই।

আরও পড়ুন- "আল্লাহ পাশে আছেন, বাবরি মসজিদ হবেই!" বেলডাঙায় দাঁড়িয়ে চ্যালেঞ্জ হুমায়ুন কবীরের!

ED