আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে ফের উদ্ধার টাকার পাহাড়, ১০ স্থানে একযোগে ফের অভিযান ইডির

তিনটি গাড়িতে করে এক ডজনেরও বেশি ইডি আধিকারিক ওই এলাকায় পৌঁছান। অভিযানের সময় বাড়তি নিরাপত্তার জন্য সিআইএসএফ মোতায়েন করা হয় এবং আশপাশের এলাকা ঘিরে ফেলা হয়।

তিনটি গাড়িতে করে এক ডজনেরও বেশি ইডি আধিকারিক ওই এলাকায় পৌঁছান। অভিযানের সময় বাড়তি নিরাপত্তার জন্য সিআইএসএফ মোতায়েন করা হয় এবং আশপাশের এলাকা ঘিরে ফেলা হয়।

author-image
IE Bangla Web Desk
New Update
Kolkata cash seizure, ED raid Taratala, Enforcement Directorate, civic recruitment scam, Kolkata corruption case, ED investigation, huge cash recovery, business premises raid,কলকাতা নগদ টাকা উদ্ধার, ইডি অভিযান, তারাতলা তল্লাশি, পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি, টাকার পাহাড় কলকাতা, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, কলকাতা দুর্নীতি মামলা, ব্যবসায়ীর বাড়ি অভিযান

Kolkata cash seizure: প্রতীকী ছবি।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে কয়লা পাচার ও আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় বড়সড় অভিযান চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। গতকাল একযোগে রাজ্যের ১০টি স্থানে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও ডিজিট্যাল ডিভাইস উদ্ধার হয়েছে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বস্তায় বস্তায় ভরা নোটের পরিমাণ এক কোটি টাকারও বেশি, যা গুনতে আনতে হয় তিনটি ব্যাংকের নোট-গণনা মেশিন।

Advertisment

আরও পড়ুন-Humayun Kabir: মাটিতে পা পড়বে না নেতার! ভোটের প্রচারে শুধুই হেলিকপ্টারে উড়বেন হুমায়ুন কবীর  

ইডি আধিকারিকরা মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ পশ্চিম বর্ধমান জেলার জামুরিয়া থানার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের এক হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী রাজেশ বনসালের বাড়িতে অভিযান শুরু করেন। অবৈধ কয়লা ব্যবসা ও অর্থ পাচারের সঙ্গে যুক্ত একটি মামলার তদন্তে এই অভিযান চালানো হয়। রাজেশ বনসালের ভাই রমেশ বনসাল এবং তাঁর দুই ছেলে অমিত ও সুমিত বনসাল জামুরিয়াতেই থাকেন, অন্যদিকে রাজেশ বনসাল রাণীগঞ্জে থাকেন। 

তিনটি গাড়িতে করে এক ডজনেরও বেশি ইডি আধিকারিক ওই এলাকায় পৌঁছান। অভিযানের সময় বাড়তি নিরাপত্তার জন্য সিআইএসএফ মোতায়েন করা হয় এবং আশপাশের এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। প্রায় আট থেকে বারো ঘণ্টা ধরে চলা তল্লাশির সময় আধিকারিকরা কয়েকটি বস্তা নোটের বান্ডিল উদ্ধার করেন।

নগদের পরিমাণ গুণতে সরকারি ব্যাংক থেকে তিনটি নোট-গণনা মেশিন আনাতে হয় ইডি-কে। প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া টাকার অঙ্ক এক কোটি টাকারও বেশি। জানা গিয়েছে, রাজেশ বনসাল রাণীগঞ্জের পাঞ্জাবি মোড় এলাকায় একটি  হার্ডওয়্যার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।

আরও পড়ুন-Mamata Banerjee: "সুবিচারের জন্য কাঁদছি..." SIR মামলা নিজেই লড়লেন! আইনজীবীর পোশাকে সুপ্রিম কোর্টে ঝড় তুললেন মমতা  

ইডি তদন্ত করে দেখছে, কয়লা ব্যবসার আড়ালে এই বিপুল পরিমাণ কালো টাকা পাচার করা হচ্ছিল কি না। তদন্তে কলকাতা, দুর্গাপুর এবং পাণ্ডবেশ্বরেও অভিযান চালিয়ে  আর্থিক লেনদেনের যোগসূত্র মিলেছে বলে সূত্রের দাবি। ইডি আধিকারিকদের মতে, হাওয়ালা এবং অন্যান্য মাধ্যমে কয়লা পাচার সংক্রান্ত অর্থ বিভিন্ন জায়গায় পাচার হয়েছিল।

এই অভিযানের জেরে জামুরিয়া ও রাণীগঞ্জ শিল্পাঞ্চলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযানের সময় রমেশ বনসালের ছোট ছেলে সুমিত বনসাল সাংবাদিকদের কাজে বাধা দিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একই দিনে ইডি রাণীগঞ্জের বালি ব্যবসায়ী কিরণ খানের বাড়িতেও অভিযান চালায়, সেখান থেকেও গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য মিলেছে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন- 'এসআইআরকে ভন্ডুল করার চেষ্টা, উনি আদালতে সওয়ালই করেন নি', শুভেন্দুর আগুনে আক্রমণের মুখে মমতা

ED