/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2024/02/Mukul-Roy-ED.jpg)
Mukul Roy-ED: মুকুল রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ কেন্দ্রীয় সংস্থার। (ছবি-এক্সপ্রেস)
ED summons Mukul Roy: মুকুল রায়কে তলব করল ইডি। অ্যালকেমিস্ট মামলায় কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ককে দিল্লির সদর দফতরে ডেকে পাঠানো হয়েছে। প্রায় ১৯০০ কোটি টাকার আর্থিক তছরুপের অভিযোগ উঠেছে অ্যালকেমিস্ট মামলায়। এর আগে অ্যালকেমিস্ট মামলায় সংস্থার কর্ণধার কে ডি সিংকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এবার ওই মামলায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের নজরে মুকুল রায়। তবে চলতি সপ্তাহেই নাকি, পরের সপ্তাহে তাঁকে তলব করা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
মুকুলকে ইডির তলব প্রসঙ্গে তাঁর পুত্র শুভ্রাংশু রায় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংকে বলেন, 'বাবার দিল্লিতে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। বাড়ি থেকে বেরতেই পারবেন না। বাড়িতে এলে কথা বলতে পারেন। অবশ্য তাতেও লাভ নেই। তাও বাড়ি এসে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইলে, সবরকম ভাবে সহযোগিতা করা হবে। হঠাৎ কেন ডাকলও জানি না। উনি সুস্থ নন, নাতি ছাড়া কাউকে মনে রাখতে পারেন না, এমনকী আমাকেও নয়।'
মুকুল রায় যে অসুস্থ, তা অনেক দিন ধরেই প্রকাশ্যে বলে এসেছেন পুত্র শুভ্রাংশু। পরিবার সূত্রেই জানা গিয়েছিল, মুকুল স্নায়ুজনিত সমস্যায় ভুগছেন। এর জন্য গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে হাসপাতালেও ভর্তি করানো হয়েছিল তাঁকে। মুকুলের মাথায় জল জমেছিল বলে সেই সময় জানা গিয়েছিল হাসপাতাল সূত্রে। তার পর থেকেই পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, মুকুল ডিমেনশিয়ায় ভুগছেন। কিছুই মনে রাখতে পারছেন না। তেমন হাঁটচলাও করতে পারেন না ইদানীং।
আরও পড়ুন-Sandeshkhali: সন্দেশখালি অভিযানে শুভেন্দু, দুরন্ত ছকে মস্ত কায়দায় যাত্রা রুখে দিলেন মমতা
গত বছর এপ্রিলে আচমকাই দিল্লি চলে গিয়েছিলেন মুকুল। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে রাজ্য রাজনীতিতে। সেই সময় শুভ্রাংশু দাবি করেছিলেন, তাঁর বাবা মানসিক ভাবে সুস্থ নন। যদিও সেই সময় মুকুল রায় দাবি করেছিলেন যে, বাড়ির লোক তাঁকে মানসিক ভারসাম্যহীন প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছেন।
আরও পড়ুন-Mukul Roy: ইডি-র তলব মুকুলকে! কী জানালেন ছেলে শুভ্রাংশু?
ইডি সূত্রে খবর, কে ডি সিংয়ের সংস্থা ছিল অ্যালকেমিস্ট ইনফ্রা রিয়ালটি। সেই সংস্থার বিরুদ্ধে লগ্নিকারীদের কাছ থেকে বেআইনিভাবে টাকা তোলার অভিযোগ নিয়ে মামলা হয়েছিল। ইডি ২০১৬ সালে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে। অভিযোগ ছিল, সেবি-র অনুমতি ছাড়াই ওই সংস্থাটি লগ্নিকারীদের থেকে ১,৯১৬ কোটি টাকা তুলেছে। তদন্তে নেমে ২০১৯ সালে কেডি-র কুফরির রিসর্ট, চণ্ডীগড়ের শো-রুম, হরিয়ানার পঞ্চকুলার সম্পত্তি, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট-সহ ২৩৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ইডি