Maldah News: জমি কিনে স্বনির্ভর হওয়ার পথে বাধা শাসকদল, প্রাক্তন কেএলও সদস্য'র বিস্ফোরক অভিযোগ

একসময় তাদের হাতে অস্ত্র ছিল। কিন্তু এখন মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মতো সমাজের মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন তাঁরা। ঠিক সেই রকমই একজন মালদহের গাজোলের প্রাক্তন কেএলও সদস্য সতীশ রাজবংশী।

একসময় তাদের হাতে অস্ত্র ছিল। কিন্তু এখন মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মতো সমাজের মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন তাঁরা। ঠিক সেই রকমই একজন মালদহের গাজোলের প্রাক্তন কেএলও সদস্য সতীশ রাজবংশী।

author-image
Madhumita Dey
New Update
Malda news

সতীশ রাজবংশী

একসময় তাদের হাতে অস্ত্র ছিল। কিন্তু এখন মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মতো সমাজের মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন তাঁরা। ঠিক সেই রকমই একজন মালদহের গাজোলের প্রাক্তন কেএলও সদস্য সতীশ রাজবংশী। তিনি সামাজিক পথে চলার জন্য জমি কিনে স্বনির্ভর হওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। 
কিন্তু সেই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে শাসকদল। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের মদতে দুই ব্যাবসায়ীর বিরুদ্ধে এবারে তার জমি দখল এবং রেজিস্ট্রি না দেওয়ার অভিযোগ উঠল। 

Advertisment

সতীশবাবুর অভিযোগ, একটা সময় তাদের হাতে অস্ত্র ছিল। জেল খেটেছেন কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর  প্রতিশ্রুতিতে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন তারা। কিন্তু এখন তাদের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে জমি দখল করা হচ্ছে। 

আরও পড়ুন-Migrant worker killing: ওড়িশায় বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিক খুন, তদন্তে পড়শি রাজ্যে পুলিশ পাঠালেন মমতা

আরও পড়ুন- Suvendu Adhikari: ‘রাতের অন্ধকারে চটি পায়ে পুলিশের তাণ্ডব’, নন্দীগ্রাম থানায় আগুনে ঝড় শুভেন্দুর! পুলিশকে চরম হুঁশিয়ারি

তিনি জানান, গাজোল কলেজ সংলগ্ন আড়াই বিঘা জমি রয়েছে তার। ধার দেনা করে সেই জমি নিয়েছিলেন তিনি। ২০২১ সালে সেই টাকা পরিশোধ করেছিলাম । কিন্তু গাজোলের ওই দুই জমির মালিক রেজিস্ট্রি দেয় নি। বরঞ্চ জমিতে নামতে গেলে তারা পুলিশ ও শাসকদলের একাংশকে দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে।

একসময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নির্দেশেই আমরা অস্ত্র ছেড়ে ওই সংগঠন থেকে বেরিয়ে এসেছিলাম । সামাজিক পথে চলার জন্যই এই জমি কিনে স্বনির্ভর হওয়ার পরিকল্পনা ছিল । কিন্তু এখন এভাবে প্রতারণা হতে গেলে আবারও হয়তো পুরনো পথে ফিরে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে। 

প্রশাসনকে লিখিত অভিযোগে সতীশ রাজবংশী জানিয়েছেন , ২০২১ সালে গাজোল কলেজ সংলগ্ন ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে আড়াই বিঘা জমি জন্য প্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা সম্পূর্ণ দিয়ে ফেলেছিলেন গাজোলের এলাকার বাসিন্দা দুই জমির মালিককে । 

আরও পড়ুন- Abhishek Banerjee: ‘ভোটার বাছছে BJP! গায়ের জোরে SIR’, নির্বাচন কমিশনের দপ্তর ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি অভিষেকের

আরও পড়ুন- বিধানসভা ভোটের আগে বড় চমক! ওয়েইসির AIMIM-এর সঙ্গে জোটের প্রস্তাব হুমায়ুন কবীরের

সতীশবাবুর বাড়ি গাজোল থানার পান্ডুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের আদিনা স্টেশন সংলগ্ন গোয়ালপাড়া এলাকায়। পরিবারে বাবা-মা, স্ত্রী , সন্তান প্রত্যেককে রয়েছেন। প্রাক্তন কেএলও সদস্য সতীশ রাজবংশীর পরিকল্পনা ছিল ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে এবং অন্যান্য কয়েকজন সদস্যের কাছ থেকে জমানো টাকা নিয়েই এই জায়গা কিনে একটা কোন প্ল্যান্ট করবেন। 

পাশাপাশি কিছু জায়গা বসতি হিসেবে বিক্রি করবেন। বিশ্বাস করেই তিনি ওই দুই জমির মালিককে সম্পূর্ণ টাকা চার বছর আগে দিয়ে ফেলেছিলেন । কিন্তু তারপর থেকেই টাকা ফিরিয়ে দেওয়া তো দূরের কথা, রেজিস্ট্রি না দিয়ে ওই জমি কথা বললে নানাভাবে হুমকি এবং পুলিশ দিয়ে হয়রানি করার ধমক দেখাচ্ছেন ওই দুই জমির মালিক।

এদিকে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাদের মধ্যে অমিত প্রসাদকে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। এদিকে এই ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। উত্তর মালদার বিজেপির সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক অভিষেক সিংহানিয়া জানিয়েছেন, তৃণমূলের কাজই হচ্ছে অসহায় মানুষের জমি দখল করা এবং পিছন থেকে মদত জুগিয়ে এরকম ভাবে হয়রানি করা। এই ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। 

তৃণমূল পরিচালিত গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন বলেন, আসলে কি ঘটেছে তা জানি না । তবে দল এখানে কোনরকম ভাবেই থাকবে না। এজন্য প্রশাসন রয়েছে। অভিযোগ হলে তারা তদন্ত করে দেখবে।

আরও পড়ুন- 'যাদের হাতে খাতা-কলম, তারাই তো বাংলাদেশি', শাহি বঙ্গ সফরের আগে SIR নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধেই সরব বিজেপি সাংসদ

Malda