/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/26/eb-2026-01-26-08-57-23.jpg)
Fake Lottery Tickets Seized: জাল লটারির টিকিট বিক্রিতে অভিযুক্ত ফল ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
Enforcement Branch Raid: ওপরে ফলের দোকান, আর তার আড়ালেই চলছে লক্ষ লক্ষ টাকার জাল লটারির কারবার। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার দুপুরে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর হাটে হানা দিল জেলা এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ (DEB)। হাতেনাতে পাকড়াও করা হলো গদাই বালা নামে এক ব্যবসায়ীকে। উদ্ধার হয়েছে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার জাল লটারি টিকিট।
হাটে ফলের ডালিতেই বিষবৃক্ষ
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত গদাই বালার বাড়ি মেমারি থানা এলাকায়। জামালপুর গঞ্জ বারোয়ারি পরিচালিত হাটে তিনি ফলের পসরা সাজিয়ে বসতেন। অভিযোগ, সেই ফলের আড়ালেই চলত নকল লটারির টিকিট বিক্রি। শনিবার দুপুরে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা ছদ্মবেশে হানা দিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করেন। তাঁর হেফাজত থেকে বিপুল পরিমাণ জাল টিকিট উদ্ধার করা হয়েছে।
জামালপুরের লটারি সাব-স্টকিস্ট পার্থ রায় জানান, এই বেআইনি কারবার নিয়ে তিনি আগেই অভিযুক্তকে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু গদাই বালা উল্টে হুমকির সুরে জানিয়েছিলেন, "কেউ আমার কিছু করতে পারবে না।" পার্থবাবুর দাবি, ধৃত ব্যবসায়ী দম্ভ করে বলতেন, তাঁর সঙ্গে আরও ৫০ জন এই কারবারে যুক্ত। সিআইডি ও পুলিশের লাগাতার ধরপাকড়ের পরেও গদাইয়ের মতো ব্যবসায়ীরা যে কতটা বেপরোয়া, তা এই ঘটনায় স্পষ্ট।
জেলার বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষ করে রায়না ও জামালপুরে সম্প্রতি সিআইডি অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন জাল লটারি কারবারিকে গ্রেফতার করেছিল। তবুও এই চক্র পুরোপুরি নির্মূল হয়নি। এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা মনে করছেন, গদাই বালা বড় কোনো চক্রের অংশ।
আরও পড়ুন- West Bengal Weather: লেপ-কম্বল তুলে রাখার দিন কি চলে এল? ৭২ ঘণ্টায় আবহাওয়ার ভোলবদলের ইঙ্গিত
রবিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই চক্রের বাকি পান্ডাদের হদিশ পেতে ধৃতকে ৫ দিনের হেফাজতে (রিমান্ড) নেওয়ার আবেদন জানানো হবে। গদাইকে জেরা করলে এই জাল লটারি কাণ্ডের বড়সড় পর্দাফাঁস হবে বলে আশাবাদী পুলিশ।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us