ফরিদাবাদ মেডিকেল কলেজ থেকে উদ্ধার একে-৪৭, ৩৫০ কেজি বিস্ফোরক! আটক দুই চিকিৎসক, চাঞ্চল্য দেশ জুড়ে

হরিয়ানার ফরিদাবাদ মেডিকেল কলেজ থেকে দুটি একে-৪৭ রাইফেল এবং প্রায় ৩৫০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। অনন্তনাগে একজন চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করার পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই বিশাল পরিমানে গোলা বারুদ বাজেয়াপ্ত করা হয়।

হরিয়ানার ফরিদাবাদ মেডিকেল কলেজ থেকে দুটি একে-৪৭ রাইফেল এবং প্রায় ৩৫০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। অনন্তনাগে একজন চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করার পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই বিশাল পরিমানে গোলা বারুদ বাজেয়াপ্ত করা হয়।

author-image
Sayan Sarkar
New Update
Faridabad medical college, AK-47 rifles, explosives recovered, Doctor Adil, Jammu and Kashmir police, terror network, Haryana, NIA investigation, doctor arrested, RDX seizure, ফরিদাবাদ মেডিকেল কলেজ, একে-৪৭ উদ্ধার, বিস্ফোরক জব্দ, ডাঃ আদিল, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক, এনআইএ তদন্ত, হরিয়ানা অভিযান, আরডিএক্স উদ্ধার, ডাক্তার গ্রেপ্তার

মেডিকেল কলেজ থেকে উদ্ধার একে-৪৭, ৩৫০ কেজি বিস্ফোরক!

মেডিকেল কলেজ থেকে উদ্ধার দুটি একে-৪৭ রাইফেল ও ৩৫০ কেজি বিস্ফোরক! আটক দুই চিকিৎসক, চাঞ্চল্য গোটা দেশে। 

Advertisment

হরিয়ানার ফরিদাবাদ মেডিকেল কলেজ থেকে দুটি একে-৪৭ রাইফেল এবং প্রায় ৩৫০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। অনন্তনাগে একজন চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করার পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই বিশাল পরিমানে গোলা বারুদ বাজেয়াপ্ত করা হয়। অভিযানে ফরিদাবাদের একটি ফ্ল্যাট থেকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার হয় বলে সূত্রের খবর।

এর আগে, জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ সরকারি মেডিকেল কলেজে ডাঃ আদিল নামের এক চিকিৎসকের লকার থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করেছিল পুলিশ। আদিলকে উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, কারণ তিনি শ্রীনগরে জইশ-ই-মহম্মদের পোস্টার লাগানোর অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন। তিনি অনন্তনাগ মেডিকেল কলেজে আবাসিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

Advertisment

আদিলের গ্রেপ্তারের পর পুলিশ আরও এক চিকিৎসককে আটক করে। সেই চিকিৎসককে জেরা করতেই উঠে আসে ফরিদাবাদ সংযোগ। তদন্তে প্রকাশ, এই দুই চিকিৎসকের সঙ্গে আরও একজন চিকিৎসকের যোগাযোগ ছিল, যাদের নেটওয়ার্ক দক্ষিণ কাশ্মীর থেকে হরিয়ানা পর্যন্ত বিস্তৃত। এই সূত্র ধরেই ফরিদাবাদে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।

জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্তে এখন এমন এক বৃহৎ ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত মিলছে যা শুধুমাত্র পোস্টার লাগানোর ঘটনার বাইরে গিয়ে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে সন্ত্রাসবাদীদের সমর্থন জোগানোর একটি সংগঠিত নেটওয়ার্ক কাজ করছিল।

সূত্রের দাবি, গত তিন দিন ধরে প্রায় ৫০০টি স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে এবং ৩০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এনআইএ এবং ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোসহ একাধিক কেন্দ্রীয় সংস্থা ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমেছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও বিস্ফোরক ফরেনসিক টিমের হাতে পাঠানো হয়েছে পরীক্ষার জন্য।

এই ঘটনায় চিকিৎসকদের ভূমিকা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে চিকিৎসাজগতে। শিক্ষিত ও সমাজে সম্মানিত পেশার মানুষ কীভাবে সন্ত্রাসবাদী ষড়যন্ত্রে যুক্ত হতে পারেন, তা ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, অভিযুক্ত চিকিৎসকরা কোনও সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের কাছ থেকে অর্থ বা নির্দেশ পাচ্ছিলেন কিনা, নাকি কোনও চাপের মুখে কাজ করছিলেন।

জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত চলছে এবং খুব শিগগিরই এই চক্রের “মাস্টারমাইন্ড”-এর পরিচয় প্রকাশ করা হবে। তদন্তকারীদের মতে, এই নেটওয়ার্ক শুধুমাত্র কাশ্মীর নয়, বরং দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে রয়েছে।

আরও পড়ুন- উত্তরকন্যায় মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক, খতিয়ে দেখবেন রাস্তা ও সেতু পুনর্নির্মাণের অগ্রগতি

চাইলে আজ গিয়ে কালই ফিরুন! কলকাতার কাছেই প্রকৃতির কোলে এক স্বর্গীয় শান্তি!

বাংলায় SIR নিয়ে তোলপাড়ের মাঝেই এবার মৃত্যু BLO-র, পরিবারের বিস্ফোরক অভিযোগে হুলস্থূল

বিকল ইঞ্জিন, চরম বিপাকে স্পাইস জেটের বিমান! জরুরি অবতরণ কলকাতায়

jammu and kashmir Terrorist Terrorism JMB Terrorist