বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাচার্য-সহ তিন ব্যক্তির পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

গতকালই এই মামলায় তিন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত। এদিন সাজা ঘোষণা করা হল।

গতকালই এই মামলায় তিন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত। এদিন সাজা ঘোষণা করা হল।

author-image
IE Bangla Web Desk
New Update
NULL

জাল শংসাপত্র মামলায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।

জাল শংসাপত্র মামলায় বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাচার্য দিলীপ সিংহ, প্রাক্তন কর্মসচিব দিলীপ মুখোপাধ্যায় এবং প্রাক্তন অধ্যাপিকা মুক্তি দেবকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা করে জরিমানার নির্দেশ দিল বোলপুর আদালত। গতকালই এই মামলায় তিন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত। এদিন সাজা ঘোষণা করা হল।

Advertisment

জানা যাচ্ছে, দোষীদের বয়সের কথা জানিয়ে জামিনের আবেদন করা হয়েছে। পাশাপাশি, বোলপুর আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার সম্ভবনাও রয়েছে বলে সূত্রের খবর।

আরও পড়ুন: পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জাতীয়ে দলে সুযোগ করে দিন, সৌরভকে অনুরোধ করল এসএফআই

জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত ১৯৯৬ সালে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে অধ্যাপনার জন্য আবেদন করেন মুক্তি দেব। ১৯৯৭ সালে তিনি নিযুক্ত হন। বেশ কয়েক বছর পর মুক্তি দেব গবেষণার জন্য বিভাগীয় প্রধানের কাছে আবেদন করেন। সে সময় বিভাগীয় প্রধান তাঁর শংসাপত্র দেখতে চান। এরপরই মুক্তিদেবী আবেদনপত্র প্রত্যাহার করে নেন বলে খবর। বিশ্বভারতীর তৎকালীন উপাচার্য সুজিত কুমার বসুর নির্দেশে কলকাতা ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি জানানো হয়। মুক্তি দেবীর শংসাপত্রের বৈধতা নিয়েই বড়সড় প্রশ্ন উঠে যায়। বিশ্বভারতী সূত্রে খবর, ২০০৪ সালে মুক্তি দেবীকে সাসপেন্ড ও শো-কজ করা হয়। এরপর তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্তও করা হয়। উল্লেখ্য, মুক্তিদেবী যখন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি পান, সে সময় উপাচার্যের পদে ছিলেন দিলীপ সিংহ এবং কর্মসচিব ছিলেন দিলীপ মুখোপাধ্যায়।