/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/05/ghaziabad-triple-suicide-korean-game-mobile-addiction-2026-02-05-14-22-32.jpg)
কোরিয়ান ড্রামার প্রতি অতিরিক্ত আসক্তিতেই তিন নাবালিকার জীবন শেষ?
গাজিয়াবাদের এক বহুতল আবাসনে নবম তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে তিন কিশোরী একযোগে আত্মহত্যা করেছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন,পাখি (১২), প্রাচি (১৪) ও বিষিকা (১৬)। তাদের পারিবা সূত্রে জানা গেছে, তাদের বাবা সম্প্রতি মোবাইল ফোন ব্যবহারে কড়াকড়ি আরোপ করেছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও মেয়েরা অনলাইন গেম এবং কোরিয়ান ড্রামার প্রতি তাদের প্রবল আসক্তি কাটিয়ে উঠতে পারে নি।
ইতিমধ্যে সামনে এসেছে আট-পৃষ্ঠার ডায়েরি। যেখানে কোরিয়ান সংস্কৃতির প্রতি অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে। ডায়েরিতে লেখা ছিল,"কোরিয়ান ড্রামা, সংস্কৃতি আমাদের জীবন।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কিশোরীরা কোভিড-১৯ মহামারির সময় ‘We are not Indians’ নামের একটি কোরিয়ান গেমে আসক্ত হয়ে পড়েছিল। গেমের নির্ধারিত চ্যালেঞ্জের শেষ ধাপেই তারা আত্মহত্যা করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন-বকেয়া ডিএ-র টাকা পাবেন অবসরপ্রাপ্তরাও? কী জানাল সুপ্রিম কোর্ট?
ঘটনার সময় মেয়েরা ঘরের ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে নেন। রাত ২:১৫ টার দিকে তারা একে একে বারান্দা থেকে ঝাঁপ দেয়। শব্দ এতটাই জোরালো ছিল আশেপাশের অনেক মানুষ জেগে ওঠেন। নিরাপত্তা কর্মী এবং প্রতিবেশীরা তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিন জনকে তড়িঘড়ি তিন জনকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয়।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় শিশুদের মোবাইল ও অনলাইন গেমের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বাবার অভিযোগ, কোরিয়ান গেম এবং অনলাইন কনটেন্টের অতিরিক্ত প্রভাবই এই ট্র্যাজেডির মূল কারণ। তিনি বলেন, “আমার ভুল ছিল সন্তানদের মোবাইল দেওয়া এবং তাদের প্রতি আরও বেশি নজর না রাখা।” পাশাপাশি তিনি ভারতে বিপজ্জনক অনলাইন গেম নিষিদ্ধ করার দাবিও তোলেন।
বাবা চেতন কুমার জানান,মেয়েরা গত কয়েক বছর ধরে কোরিয়ান ড্রামাম গান এবং অনলাইন গেমের প্রতি আসক্ত ছিল। রাত জেগে মোবাইল ব্যবহার করত, ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করত না এবং স্কুলেও যেত না। তারা দাবি করত, কোরিয়াতেই পড়াশোনা করতে যেতে চায়। তিনি আরও বলেন, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় তাদের থেকে ফোন কেড়ে নেওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলে যায়।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us