/indian-express-bangla/media/media_files/2025/10/26/gold-silver-price-update-india-october-2025-2025-10-26-10-40-26.jpg)
gold karat difference: প্রতীকী ছবি।
গয়না কেনাকাটায় সোনা সবসময়ই ক্রেতাদের প্রথম পছন্দ। কিন্তু সোনার গুণমান বা খাঁটিত্ব মূলত নির্ভর করে তার ক্যারাট বা বিশুদ্ধতার মাত্রার ওপর। বহু ক্রেতাই ক্যারাটের পার্থক্য সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন নন। ফলে সঠিক তথ্য না জানার কারণে অনেক সময় ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাই সোনার ক্যারাটের ফারাক জানা আজ অপরিহার্য।
সোনার বিশুদ্ধতা মাপা হয় ক্যারাট দিয়ে। বিশুদ্ধ সোনাকে বলা হয় ২৪ ক্যারাট, যেখানে সোনার পরিমাণ ৯৯.৯ শতাংশ। তবে এই সোনা তুলনামূলক নরম হওয়ায় গয়না তৈরির জন্য খুব একটা উপযোগী নয়। তাই বেশিরভাগ গয়না তৈরি করা হয় মিশ্র ধাতু দিয়ে, যেখানে সোনার পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে ধাতুকে শক্ত করা হয়।
আরও পড়ুন- Kolkata to Bhutan flight: আর নয় ঝক্কি! কলকাতা থেকে সরাসরি বিমানেই ভুটান, ভাড়া এক্কেবারে নাগালেই!
২২ ক্যারাট সোনা গয়না তৈরির ক্ষেত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয়। এতে সোনার পরিমাণ থাকে প্রায় ৯১.৬ শতাংশ। বাকি অংশে থাকে তামা, রূপা বা দস্তা, যা গয়নাকে মজবুত করে। তবে জটিল নকশার গয়না তৈরির ক্ষেত্রে কখনও কখনও ২২ ক্যারাটও পর্যাপ্ত নয়।
সেই জায়গায় ব্যবহৃত হয় ১৮ ক্যারাট সোনা, যেখানে সোনার পরিমাণ প্রায় ৭৫ শতাংশ। এর রঙ তুলনামূলক ফিকে হলেও এটি অত্যন্ত টেকসই, ফলে চেইন, ব্রেসলেট, আংটি বা ডায়মন্ড সেটিং-এর গয়নার ক্ষেত্রে ১৮ ক্যারাট জনপ্রিয়।
তবে দৈনন্দিন ব্যবহারের আংটি বা ঘড়ির ক্ষেত্রে অনেক সময় ১৪ ক্যারাট সোনা ব্যবহৃত হয়, যেখানে খাঁটি সোনার পরিমাণ আরও কম, প্রায় ৫৮.৫ শতাংশ। এই সোনা শক্ত এবং দীর্ঘস্থায়ী হলেও তার রঙ ২২ বা ২৪ ক্যারাটের মতো উজ্জ্বল নয়।
আরও পড়ুন-Supreme Court: চিকিৎসক অনিকেত মাহাতোর বিরুদ্ধে চক্রান্ত? সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল রাজ্যের!
বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যারাট যত বেশি, সোনার মূল্য তত বেশি। তাই কেনার আগে ক্রেতাদের উচিত সোনায় হলমার্ক আছে কি না দেখে নেওয়া। এটি সোনার বিশুদ্ধতার সরকারি সার্টিফিকেশন।
সোনার ক্যারাটের এই পার্থক্যই ঠিক করে দেয় গয়নার দাম, টেকসই ক্ষমতা ও ব্যবহারের ধরন। ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ক্যারাট বেছে নিলেই গয়না কেনা হবে আরও নির্ভরযোগ্য ও লাভজনক।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us