/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/29/sir-2025-12-29-13-29-17.jpg)
SIR hearing: প্রতীকী ছবি।
SIR hearing stopped: হুগলিতে এসআইআর (SIR) শুনানি ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট গাইডলাইন অনুযায়ী এসআইআর শুনানিতে বিএলএ-২ (Booth Level Agent-2) উপস্থিত থাকতে পারবেন না, এই নির্দেশিকা আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল কমিশন। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করে বিএলএ-২-দের শুনানিতে রাখার দাবিতে সরব হলেন চুঁচুড়ার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক অসিত মজুমদার। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, তাঁর আপত্তির জেরেই একাধিক কেন্দ্রে এসআইআর শুনানি বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
জানা গিয়েছে, চুঁচুড়া-মগরা ব্লক অফিসের অধীনে তিনটি কেন্দ্রে চলছিল এসআইআর শুনানি। সেখানেই আচমকা হাজির হন বিধায়ক অসিত মজুমদার এবং বিএলএ-২-দের উপস্থিতি ছাড়া শুনানি চলবে না বলে দাবি জানান। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মানা হবে না বলেও তিনি প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দেন বলে অভিযোগ। এর পরই ওই তিনটি কেন্দ্রে সাময়িকভাবে শুনানি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন- Aadhaar PAN link: সময় ফুরোচ্ছে, আজই আধার-প্যান লিঙ্ক করিয়ে নিন, নইলে বিরাট সমস্যায় পড়তে পারেন!
ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। শাসক দলের বিধায়কের এমন আচরণে ক্ষুব্ধ বিরোধীরা। বিজেপি ও বাম, দুই শিবিরই বিষয়টিকে নির্বাচন কমিশনের কাজে সরাসরি হস্তক্ষেপ বলে কটাক্ষ করেছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) জেলা নির্বাচন আধিকারিককে পুরো ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে খোঁজ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।
আরও পড়ুন- Copper share price: টানা সপ্তম দিনে ঝড়, নতুন রেকর্ডে হিন্দুস্তান কপার শেয়ার
এই ঘটনায় বিজেপি নেতা সজল ঘোষ তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “এটা শুধু অসিত মজুমদারের একার সিদ্ধান্ত নয়। ওকে দিয়ে কে করাচ্ছে, সেটা দেখা দরকার। ভাইপোর নির্দেশেই এই কাজ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই অবস্থা হলে আগামী দিনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন কীভাবে হবে? সাধারণ মানুষ শুনানির জন্য এসেছিলেন, কিন্তু তাঁদের ফিরে যেতে হয়েছে।”
অন্যদিকে, সিপিএমের যুব নেতা শতরূপ ঘোষও তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “তৃণমূল দল হিসেবে এমন কোনও দাবি জানায়নি। অথচ হঠাৎ করে তাদেরই এক বিধায়ক গিয়ে শুনানি বন্ধ করে দিলেন। নির্বাচন কমিশন কি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তামাশা দেখছে? প্রয়োজনে পুলিশ পাঠিয়ে ওই বিধায়ককে গ্রেপ্তার করা উচিত ছিল। একজনের হুমকিতে পুরো এসআইআর শুনানি বন্ধ হয়ে যাওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক।” এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশাসনিক পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।
হুগলির পাশাপাশি মগরাহাটের এসআইআর শুনানিতে তুমুল বিক্ষোভ। সি মুরুগানকে ঘিরে বিক্ষোভ,গাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় উত্তেজনা পরিস্থিতি তৈরি হয়। মগরাহাটের পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগণার ফলতাতেও শুনানি চলাকালীন বিক্ষোভের খবর মিলেছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট গাইডলাইন অনুযায়ী এসআইআর শুনানিতে বিএলএ-২ (Booth Level Agent-2) উপস্থিত থাকতে পারবেন না, এই নির্দেশিকা আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল কমিশন। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করে বিএলএ-২-দের শুনানিতে রাখার দাবিতে সরব শাসক দল।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us