/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/22/humayun-2026-01-22-19-06-04.jpg)
মমতার বিরুদ্ধে 'বিস্ফোরক' অভিযোগ
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই তাঁকে উসকানিমূলক বক্তব্য দিতে হয়েছিল। ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এমনই বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড় ফেললেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাসপেন্ডেড বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টি (JUP)-র চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। শনিবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের মরাদিঘিতে তাঁর নতুন দলের ব্যানারে আয়োজিত এক জনসভায় এই মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন- বাজেটের দিন সকালে হুড়মুড়িয়ে দাম কমল সোনা-রূপার, আমদানি শুল্ক কি আবারও কমবে?
জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে হুমায়ুন কবীর তাঁর অতীতের বক্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। তিনি বলেন, “আমার বক্তব্যে যাঁরা আঘাত পেয়েছেন, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন, তাঁদের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। ভবিষ্যতে এমন ভুল আর কখনও হবে না।” তিনি দাবি করেন, লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূলের প্রার্থী ইউসুফ পাঠান (বহরমপুর) ও আবু তাহের খান (মুর্শিদাবাদ)-এর জয়ের সম্ভাবনা কম থাকায় তাঁকে এমন বক্তব্য দিতে বলা হয়েছিল।
হুমায়ুন কবীরের অভিযোগ, জেলায় একটি তৃণমূলের সভায় ব্যক্তিগতভাবে মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে এই নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, বিজেপি নেতা যোগী আদিত্যনাথের বক্তব্যের মোকাবিলায় তাঁকে কড়া ও উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করতে হয়েছিল। “মুখ্যমন্ত্রী আমাকে আলাদা করে বলেছিলেন কিছু করার জন্য। সেই কারণেই আমি ওই সব কথা বলেছিলাম,” বলেন কবীর।
তবে হুমায়ুন কবীরের এই দাবি সরাসরি খারিজ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুর্শিদাবাদ জেলা সভাপতি ও কান্দি বিধানসভার বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, “২০২৪ সালের ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রীর সব সভায় আমি উপস্থিত ছিলাম। কখনও তাঁকে হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলতে দেখিনি। ও যা বলছে, সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
এদিন হুমায়ুন কবীর জানান, কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা করার চেষ্টা করলেও সেনার কাছ থেকে ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ (NOC) না পাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। তবে তিনি আশাবাদী, মার্চের শেষ সপ্তাহে অনুমতি মিললে সেখানে বড় সভা করা হবে। সেই সভায় AIMIM নেতা আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ও আইএসএফ নেতৃত্ব উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি।
শনিবারের জনসমাবেশে ভিড় দেখে উজ্জীবিত হুমায়ুন কবীর তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে সব বিরোধী শক্তিকে এক মঞ্চে আসার আহ্বান জানান। তিনি দাবি করেন, “বাংলায় তৃণমূল বা বিজেপি কেউই সরকার গড়বে না। কে সরকার গড়বে, তা আমরা ঠিক করব।” গতকালের সভায় AIMIM, SDPI, অল ইন্ডিয়া ইউনিয়ন মুসলিম লিগ এবং আজাদ সমাজ পার্টির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us