/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/31/aimim-jup-alliance-2026-01-31-08-06-21.jpg)
মমতার 'মৃত্যুঘন্টা' বাজানোর বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের
AIMIM JUP Alliance: আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপরই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তার ঠিক আগে বাংলার রাজনীতিতে নয়া মোড়। বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর আসাদুদ্দিন ওয়াইসির দল AIMIM-এর সঙ্গে জোট গঠনের ঘোষণা করেছেন। শনিবার বহরমপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই জোট ঘোষণা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। যদিও ওই কর্মসূচিতে AIMIM প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়াইসি উপস্থিত থাকবেন না, তবুও সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কের নিরিখে এই জোটকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
আরও পড়ুন- SIR-এর ধাক্কায় বাংলা জুড়ে আলোড়ন, মুখ্যমন্ত্রীর খাসতালুকে বাদ ৪৫ হাজার নাম, তড়িঘড়ি বৈঠকে মমতা
হুমায়ুন কবীর জানান, বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই জোটের মাধ্যমে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হবে। তিনি আগেই ঘোষণা করেছিলেন, শনিবার রেজিনগরের মরাদিঘি এলাকায় ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে একটি ‘মেগা সমাবেশ’ থেকে আগামী নির্বাচনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। তাঁর দাবি, ওই সমাবেশে অন্তত ১০ লক্ষ মানুষের উপস্থিতি থাকবে এবং সেখান থেকেই তৃণমূল সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর লক্ষ্যে রাজ্যব্যাপী আন্দোলনের সূচনা হবে।
এর মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে হুগলি জেলাজুড়ে দলবদলের রাজনীতি নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে। জেলার সপ্তগ্রাম, মগরা ও বাঁশবেড়িয়া এলাকার একসময়ের প্রভাবশালী নেতা দেবব্রত বিশ্বাস ফের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। বিজেপি ছেড়ে পুরনো দলে ফেরার পর দেবব্রত বলেন, বিজেপি তাঁকে ঠিকভাবে গ্রহণ করেনি বলেই তিনি তৃণমূলে ফিরে এসেছেন।
আরও পড়ুন- অর্থমন্ত্রী কি মধ্যবিত্তদের প্রত্যাশা পূরণ করবেন? কর ছাড়ের সীমা আরও বাড়বে? বাজেটের আগে জোর জল্পনা
দেবব্রত বিশ্বাসের দলত্যাগ নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, এই ধরনের নেতারা আদর্শ নয়, কেবল ব্যক্তিগত স্বার্থকেই প্রাধান্য দেন। উল্লেখ্য, দেবব্রত ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন এবং সপ্তগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৃণমূলের প্রবীণ নেতা তপন দাশগুপ্তের কাছে প্রায় ১০ হাজার ভোটে পরাজিত হন। তার আগে তিনি ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত চুঁচুড়া-মগরা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ছিলেন। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল তাঁকে টিকিট না দেওয়ায় দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়।
একদিকে হুমায়ুন কবীর–AIMIM জোট এবং হুগলিতে দলবদলের ঢেউ দুটিই মিলিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়াচ্ছে।
হুমায়ুন কবীরের শক্তি প্রদর্শন ঘিরে উত্তাল মুর্শিদাবাদের রাজনীতি। ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বরখাস্ত ভরতপুরের বিধায়ক এবং নবগঠিত জনতা উন্নয়ন পার্টির (জেইউপি) সভাপতি হুমায়ুন কবীর আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদাবাদে কোরান পাঠের মধ্য দিয়ে বাবরি মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হবে। বাংলার মুসলিম-অধুষ্যিত এই জেলায় তাঁর এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে হুমায়ুন কবীর জানান, ১১ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টায় নির্মাণ কাজ শুরুর আগে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে দেড় ঘণ্টা ধরে কোরান পাঠ করবেন। এর পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে তিনি দাবি করেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। সেই কর্মসূচিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মুসলিম মানুষের জমায়েত হয়েছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই তাঁর ভূমিকা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্ক আরও তীব্র হয়।
এর পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে শনিবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে একটি ‘মেগা সমাবেশ’-এর ঘোষণা করেছেন হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, ওই সমাবেশে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষের জমায়েত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সমাবেশের ঠিক একদিন আগে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে হুমায়ুন কবীর ঘোষণা করেন, আগামী মার্চ মাসে কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মেগা সমাবেশের মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের ‘মৃত্যুঘণ্টা’ বাজবে।
আরও পড়ুন- বিজেপি কর্মীকে না পেয়ে মাঝ রাস্তায় দাদাকে এলোপাথাড়ি মারধর! ভোটের আগেই বাংলায় রাজনৈতিক হিংসার বলি?


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us