India Pakistan debate: পাকিস্তানের দাবিতে আগুন, ভারতের পাল্টা প্রমাণ! অক্সফোর্ড বিতর্কে আসলে কী ঘটেছিল?

Oxford Union controversy: অক্সফোর্ড ইউনিয়নের ভারত–পাকিস্তান বিতর্ক ঘিরে তীব্র বিতর্ক: পাকিস্তানের ‘ওয়াকওভার’ দাবি, আর ভারতের পক্ষের ইমেল–কল লগসহ বিপরীত প্রমাণে চাঞ্চল্য। শেষমুহূর্তে কেন বিতর্ক বাতিল হলো, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়।

Oxford Union controversy: অক্সফোর্ড ইউনিয়নের ভারত–পাকিস্তান বিতর্ক ঘিরে তীব্র বিতর্ক: পাকিস্তানের ‘ওয়াকওভার’ দাবি, আর ভারতের পক্ষের ইমেল–কল লগসহ বিপরীত প্রমাণে চাঞ্চল্য। শেষমুহূর্তে কেন বিতর্ক বাতিল হলো, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়।

author-image
IE Bangla Web Desk
New Update
India Pakistan debate,  Oxford Union controversy  ,Pakistan walkout claim,  J Sai Deepak response  ,Indian speakers Oxford Union,  Pakistan High Commission UK , cancelled debate Oxford  ,India Pakistan diplomatic row,  Oxford Union debate cancellation,  viral India Pakistan news,ভারত পাকিস্তান বিতর্ক,  অক্সফোর্ড ইউনিয়ন বিতর্ক  ,পাকিস্তানের ওয়াকওভার দাবি,  জে সাই দীপকের পাল্টা দাবি  ,অক্সফোর্ড বিতর্ক বাতিল,  ভারত-পাকিস্তান কূটনৈতিক টানাপোড়েন,  পাকিস্তানের মিথ্যা প্রচার  ,ভারতীয় প্যানেল বিতর্ক , অক্সফোর্ড ইউনিয়ন বিতর্ক বিতর্কিত,  ভাইরাল ভারত পাকিস্তান খবর

India Pakistan debate: প্রতীকী ছবি।

Oxford Union: ব্রিটেনের মর্যাদাপূর্ণ অক্সফোর্ড ইউনিয়নে ভারত–পাকিস্তান বিতর্ক ঘিরে বৃহস্পতিবার ঘটে গেল এক অদ্ভুত ঘটনা। বিতর্ক শুরুই হওয়ার আগেই কোন পক্ষ সরে দাঁড়াল এবং কে মিথ্যা প্রচার করল, এই নিয়ে দুই দেশের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ।

Advertisment

পাকিস্তানের দাবি: ভারত ‘ওয়াকওভার’ দিল

ঘটনার সূত্রপাত পাকিস্তান হাই কমিশনের এক পোস্ট থেকে। সেখানে দাবি করা হয়, “ভারতীয় তিন বক্তা শেষ মুহূর্তে বিতর্ক থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।” বিতর্কের বিষয় ছিল, "India’s Policy Towards Pakistan is a Populist Strategy Sold as Security Policy"

আরও পড়ুন- Airbus grounded: হঠাৎ নামিয়ে আনা হল হাজার-হাজার Airbus! ভয়াবহ সৌর ঝড়ে কাঁপছে বিমান বিশ্ব

Advertisment

পাকিস্তান হাই কমিশন জানায়, তাদের পক্ষের বক্তারা হলেন, হিনা রাব্বানি খর, ব্রিটেনে পাকিস্তানের হাইকমিশনার মোহাম্মদ ফয়সল, প্রাক্তন জেনারেল জুবায়ের মাহমুদ হায়াত ইতোমধ্যেই লন্ডনে পৌঁছে গিয়েছিলেন। পাকিস্তান আরও দাবি করে যে ভারতের বক্তা হিসেবে যারা মনোনীত ছিলেন, জেনারেল এম এম নারাভানে, সুব্রহ্মণ্যম স্বামী, সচিন পাইলট, তাঁরা অনুপস্থিত থাকায় ভারত ‘ওয়াকওভার’ দিয়েছে।

আরও পড়ুন-New voter: নতুন ভোটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর! ভোটার তালিকায় নাম তোলার নিয়মে বড়সড় বদল নির্বাচন কমিশনের

পাকিস্তানি মিডিয়ায় এই নিয়ে উদযাপনও শুরু হয়ে যায়। এক সঞ্চালক দাবিও করেন, ভারত নাকি “লো-টিয়ার প্রতিস্থাপন বক্তা” পাঠাতে চেয়েছিল।

ভারতের পাল্টা দাবি: পাকিস্তানই মিথ্যা ছড়াচ্ছে

ভারতের পক্ষ থেকে প্রথম জোরাল প্রতিক্রিয়া দেন আইনজীবী জে সাই দীপক, যিনি ওই বিতর্কে ভারতীয় প্যানেলের একজন বক্তা হিসেবে নিশ্চিত হয়েছিলেন। তিনি অক্সফোর্ড ইউনিয়নের পাঠানো কনফার্মেশন ইমেলও প্রকাশ করেন। দীপক পাকিস্তানের অভিযোগকে আখ্যা দেন, “জঘন্য মিথ্যাচার”  এবং বলেন পাকিস্তান আবারও “মিথ্যাকে অস্ত্র বানাচ্ছে”।

আরও পড়ুন-West Bengal News Live Updates: SIR-এ বাড়তি নজর, BLO-দের নিরাপত্তায় যুদ্ধকালীন তৎপরতা নির্বাচন কমিশনের

কেন ভারতীয় প্যানেলে পরিবর্তন এলো?

দীপক জানান, নারাভানে ও সুব্রহ্মণ্যম স্বামী পরে জানাতে পারেন যে তারা আসতে পারবেন না। অক্সফোর্ড ইউনিয়ন এরপর সুহেল সেঠ ও প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীকে আমন্ত্রণ জানায়। দুজনেই শেষমুহূর্তে ‘স্বল্প নোটিস’-এর কারণে সরে দাঁড়ান। 

এটি নিশ্চিত করেন শিবসেনা (ইউবিটি) এমপি প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীও। তিনি জানান, তিনি জুলাইতেই বলেছিলেন সংসদ চললে আসবেন না, কিন্তু বিতর্কের মাত্র দুই দিন আগে হঠাৎ ইমেল পাঠানো হয়, যা তিনি “অপেশাদার আচরণ” হিসেবেই দেখেছেন। তারপরও দীপক পৌঁছে যান ব্রিটেনে জে সাই দীপক জানান, তিনি পরিকল্পনা মতো ব্রিটেনে পৌঁছে যান। শেষ মুহূর্তে তিনি ব্রিটেন ভিত্তিক দু’জন বক্তা, মনু খাজুরিয়া, পণ্ডিত সতীশ কে শর্মাকে নিয়ে দলও গঠন করেন।

আরও পড়ুন-TMC Mla: ফেক সেক্স ভিডিও চক্রের নিশানায় তৃণমূলের ডাকাবুকো-দাপুটে বিধায়ক, পরের ঘটনা জানলে...

দীপকের দাবি: পাকিস্তানই উপস্থিতই ছিল না

দীপকের অভিযোগ, বিতর্কের ডিনারের তিন ঘণ্টা আগে অক্সফোর্ড ইউনিয়ন তাঁকে ফোন করে জানায়, পাকিস্তানি দল ব্রিটেনে পৌঁছায়নি, তাই বিতর্ক বাতিল। তিনি কল লগসহ প্রমাণও প্রকাশ করেন।

চূড়ান্ত মোড়: পাকিস্তান আসলে UK–তেই ছিল!

এর কিছুক্ষণ পর জানা যায়, বিতর্ক আয়োজক মূসা হাররাজ, যিনি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা উৎপাদন মন্ত্রীর ছেলে, মিথ্যা বলেছিলেন।
 বাস্তবে পাকিস্তানি দল অক্সফোর্ডের একটি হোটেলে ছিল।
 
দীপক প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, “যদি পাকিস্তানি দল অক্সফোর্ডেই থাকে, তাহলে এখনই আমাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে বিতর্কে নামুক।” তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, “কেন পাকিস্তানিরা নিজেদের টেররিস্টদের মতোই লুকিয়ে থাকছে?”

কথার যুদ্ধে দুই দেশ—কোন পক্ষ সত্য বলছে?

যেখানে ভারতের পক্ষ স্পষ্ট সময়রেখা, ইমেল ও কল লগ প্রকাশ করছে, সেখানে পাকিস্তান কোনও প্রমাণ না দিয়েই বলে যাচ্ছে, “ভারত আত্মবিশ্বাস হারিয়ে শেষ মুহূর্তে সরে দাঁড়িয়েছে।” ঘটনাটি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও বেশ চর্চা শুরু হয়েছে।

pakistan India India Pakistan Tension India Pakistan debate Oxford Union controversy India Pakistan diplomatic row